
জুমবাংলা ডেস্ক : দৃষ্টি কেড়েছে অলিউরের শিরোহি জাতের ছাগল। লম্বায় ৪ ফুট। ৫৯ ইঞ্চি উচ্চতার এই ছাগলের ওজন প্রায় ৮০ কেজি। দাম উঠেছে ২ লক্ষ টাকা। প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে স্থানীয় একজন এই দাম হাকেন। কিন্তু তার পরও আদরের ছাগলটিকে বিক্রি করতে রাজি নন ছাগলটির মালিক অলিউলর রহমান।
আজ শনিবার পটুয়াখালীর বাউফল পৌর সদরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম (পাবলিক মাঠ) মাঠে উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে অনেকেরই নজরকাড়ে শিরোহি জাতের এই ছাগল। সু-দৃষ্টিতে দেখছেন প্রদর্শনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক মন্ডলীরাও। দাশপাড়া গ্রামের মৃত. আলমগীর সরদারের ছেলে অলিউর প্রচন্ড ভালবাসেন তার এই ছাগলটিকে। লালন-পালন করেন সন্তানের মতো একে। নিজ খামারের চাদিা মিটিয়ে ক্রস প্রজননের মাধ্যমে ছাগলটির শুক্রানু বিক্রি করে মাসে ১০-১২ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।
অলিউর জানান, খামারের শিরোহি, আইরিশ, যমুনা, খারি, নিউট্রি তোতা, তোতাপুরি, রাম, ইন্ডিয়ান রাম, মুন্নিমেথি, মোম্বাই, পাঠনাইসহ বিভিন্ন জাতের আরো ২০টি ছাগলের সঙ্গে এটিকে ডাল, খইল, ভুষি, কাঁচা ঘাস, কলার ছোলা, লতাপাতা এসব খাবার দিয়ে থাকেন। মাসে অন্তত ৩-৪ হাজার টাকা ব্যায় করেন তিনি ছাগলটির পিছনে।
তিনি আরো জানান, স্থানীয় কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে এসএসি পাশের পর গ্রামের লোকজনের সঙ্গে মিশে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সময় ব্যায় করলেও কিছু পাওয়ার পরিবর্তে অনেক হারিয়ে ছাগল পালনে মন দেন তিনি। ওইসব অযথা সময় ব্যায় করে যা পাওয়া যায়নি অনেকটা সখের বসে শুরু করলেও গত চার বছর ধরে ছাগল পালনে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো বহুলাশে নিশ্চিত পথ তৈরি হয়েছে।
খামারে প্রতিনিয়ত ৩০-৪০টির মতো ছাগল থাকে। ছাগলের বাচ্ছা বিক্রি করে বছরে অন্তত ৪-৫ লক্ষ টাকা আয় হয়। চাহিদা আছে দুধেরও। চাহিদা থাকায় শিরোহি জাতের ওই ছাগলটির মাধ্যমে প্রতিটি ক্রস প্রজননে শুক্রানু বাবদ ২ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। ছাগল পালনে ভালভাবেই চলছে দুই সন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ পরিবারের যাবতীয় খাই-খরচ। ভবিষ্যতে খামারের পরিধি বৃদ্ধির চিন্তা আছে তার মাথায়।
উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ কয়েকজনেক সঙ্গে নিয়ে প্রদর্শনী পরিদর্শন কালে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা জাকির হোসেন সেরা খামারিদের মাঝে সনদ ও পুরুস্কার বিরতন করা হবে জানিয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


