
মিন্নি তখন ব্যাগ ও জুতা তুলে রিফাতকে খুঁজতে সামনে এগিয়ে যান। ভিডিওতে এ দৃশ্য দেখার পর মিন্নি কেন রিফাতকে কলেজের ভেতর নিয়ে যাচ্ছিলেন, স*ন্ত্রাসীরা রিফাতকে নিয়ে যাওয়ার সময় কেন স্বাভাবিকভাবে হাঁটছিলেন, শেষে রিফাতের দিকে না গিয়ে কেন জুতা-ব্যাগ তুলতে গেলেন? এসব নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে সামাজিক মাধ্যমে।
নতুন ভিডিও প্রসঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার মিন্নি বলেন, ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতভম্ব হয়ে ওদের পেছনে হাঁটতে থাকি। পরে ওরা আক্রমণ করলে প্রতিরোধের চেষ্টা করি। ওরা চলে যাওয়ার পর রিফাত নিজেই হেঁটে রিকশায় ওঠে, আমার পা কেটে যাওয়ায় হাঁটতে পারছিলাম না, তাই জুতা পায়ে দেই। তখন একজন আমার হাতে ব্যাগ তুলে দেয়। পরে আমি দ্রুত রিফাতকে নিয়ে হাসপাতালে যাই। ওই সময় দুজন মোটরসাইকেল নিয়ে আমাদের রিকশা ফলো করছিলো। বিতর্ক প্রসঙ্গে মিন্নি বলেন, আমি তো আপনাদের মেয়ে। আপনারা না জেনে কোনো মন্তব্য কইরেন না। বরগুনার এসপি মারুফ হোসেন বলেন, মিন্নি এ মামলার প্রধান সাক্ষী। তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়িতে পাহারা বসানো হয়েছে।
ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



