সময় যত গড়াচ্ছে নেইমার জুনিয়রের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। মার্চের ক্যাম্পেও দলের সঙ্গে নেইমারকে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি।

তবে নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া এই ব্রাজিলিয়ান সুপার স্টার। ইনজুরি থেকে মাঠে ফিরেই সান্তোসকে জয় এনে দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামে নেইমারের জাদুকরী জোড়া গোলে ভাস্কো দা গামাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে সান্তোস।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে থাকা নেইমার ২৪ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর থেকে চমৎকার এক গোল করে সান্তোসকে এগিয়ে দেন। গোল করার পর প্রতিপক্ষ ভাস্কো সমর্থকদের দিকে আঙুল উঁচিয়ে ‘চুপ’ থাকার ইশারা করেন তিনি। এরপর কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে গিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের স্টাইলে নেচে গোলটি উদযাপন করেন। ম্যাচটি নেইমার এবং থিয়াগো মেন্দেসের মধ্যকার পুরনো দ্বৈরথের কারণেও ছিল উত্তপ্ত।
ফ্রান্সে খেলার সময় (পিএসজি বনাম লিঁও) ২০২০ সালে মেন্দেসের এক ট্যাকলে নেইমার মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন। আজ প্রথমার্ধে মাঠেই তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং নেইমার তার এই প্রতিদ্বন্দ্বীকে ‘টাফ গাই’ বলে কটাক্ষ করেন। প্রথমার্ধে সান্তোস লিড নিলেও ভাস্কোর বারোস গোল করে সমতা ফিরিয়ে আনেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে সান্তোস মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ায়।
আরও পড়ুনঃ
ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী মুহূর্তটি আসে যখন উইলিয়ান আরঁ-র একটি অসাধারণ লং পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেইমার ভাস্কোর গোলরক্ষক লিও জারডিমের মাথার ওপর দিয়ে আলতো চিপ করে বল জালে পাঠান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


