দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। নবম জাতীয় পে-স্কেল নির্ধারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে এগোচ্ছে পে-কমিশন। এ লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার আবারও আলোচনায় বসছেন কমিশনের সদস্যরা। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকেই বেতন কাঠামোর মূল রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে।
আজ দুপুর ১২টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন ভবনের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
কমিশন সূত্র জানায়, বৈঠকে কেবল সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন নয়—গ্রেড সংখ্যা ও বিন্যাস, বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা, পাশাপাশি অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়েও চূড়ান্ত ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিশনের এক সদস্য বলেন, এবারের পে-স্কেলে শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, বরং বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি, শিক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি ও আবাসন সংকটের বাস্তব চিত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কমিশনের সুপারিশের অপেক্ষায় আছে সরকার।
সেখানে তিনি আরও জানান, শিগগিরই পে কমিশন পে-স্কেল সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।
পে-স্কেলের পরবর্তী তথ্য জানানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যেদিন বলার বলবো। পে কমিশন কাজ করছে। নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন। কী করছেন না করছেন সেটা আমাদের জানার ব্যাপার না, তারা করছে।
কাল-পরশু কথা হবে, কমিশনের প্রতিবেদন বিচার-বিশ্লেষণের পর আসবে। আমি একটা তারিখ ঠিক করে বলবো, তখন জানতে পারবেন, যোগ করেন অর্থ উপদেষ্টা।
এর আগে, গত ৮ জানুয়ারির বৈঠকে বেতনের অনুপাত ১ : ৮ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। ১ : ৮, ১ : ১০ ও ১ : ১২—এই তিনটি অনুপাত পর্যালোচনার পর তুলনামূলকভাবে কম বৈষম্যমূলক হওয়ায় ১ : ৮ অনুপাত গ্রহণ করা হয়।
সর্বনিম্ন বেতনের বিষয়ে বর্তমানে তিনটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এগুলো হলো—২১ হাজার টাকা, ১৭ হাজার টাকা এবং ১৬ হাজার টাকা।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত পে-কমিশনটি গত বছরের জুলাই মাসে কাজ শুরু করে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই কমিশনের কার্যকাল শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


