প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গুরুত্ব পাবে শ্রমবাজার ইস্যু। সিন্ডিকেটের ফাঁদে পড়ে অবৈধ হওয়া প্রবাসীরাও তাদের সমস্যা সমাধানে আশায় বুক বেঁধেছেন।

মালয়েশিয়ায় আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে বহু প্রবাসী বাংলাদেশির। যে স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন তারা, তা আজ দুঃস্বপ্ন।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাড়ি দিয়ে কয়েক লাখ বাংলাদেশি অবৈধভাবে বসবাস করছেন মালয়েশিয়ায়। গ্রেফতার আতঙ্কে না পারছেন দেশে ফিরতে, না পারছেন সেখানে থাকতে।
প্রবাসীদের প্রত্যেকের অভিযোগ একটিই, সিন্ডিকেটের এজেন্সির কারণেই চরম দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে তাদের।
তবে, এর মাঝেই আশার সঞ্চার হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়ায় সফর ঘিরে। অবৈধ হয়ে পড়া প্রবাসীদের প্রত্যাশা, সরকার প্রধানের এই সফরেই নির্ধারণ হবে লাখো যুবকের ভাগ্য।
বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলোও বলেছে, সিন্ডিকেটমুক্ত হলে ভিসা প্রক্রিয়া হবে সহজ, আবারও ঘুরে দাঁড়াবে শ্রমবাজার।
এদিকে, প্রবাসী রাজনীতিকদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
বর্তমান সরকারের প্রথম বিদেশ সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন গুরুত্ব পেলেও বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষাই প্রধান লক্ষ্য হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কুয়ালালামপুর থেকেই মঙ্গলবার (২৩ জুন) চীনে যাবেন তারেক রহমান। এ সফরে তিস্তা ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



