আলোচনা

Advertisement
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দুই দেশের নিরাপত্তা আরও জোরদারে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। গতকাল বুধবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানায়।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। সাক্ষাতে তাঁরা বিচার বিভাগের জন্য তাঁর পরিকল্পনা এবং আমাদের দুই দেশের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।’ ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গত ১৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগের মাসে ঢাকা ছাড়েন তৎকালীন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। এর পর থেকে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। এদিকে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গতকাল ঢাকায় ইএমকে সেন্টারে কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

তারেক রহমানের জনসভায় মানুষের ঢল

অনলাইনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যেই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমি মনে করি। এমন অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি, যার মধ্যে আছে অর্থনীতি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও নিরাপত্তা।’

দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশে কে নির্বাচিত হবে, কে বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেবে, এটি বাংলাদেশের জনগণের একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং এটি শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই সিদ্ধান্ত। এতে অন্য কোনো দেশের বলার কোনো অধিকার নেই। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে মত প্রকাশ বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম অধিকার।

বাংলাদেশে সব পক্ষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্ততার প্রসঙ্গ টেনে ব্রেট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা সবার সঙ্গে কথা বলি। ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, সবার সঙ্গে কথা বলা আমাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এখানে রাজনৈতিক পরিসরের সব দিক থেকেই ২০ বছর ধরে আমার বন্ধু রয়েছে। তবে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ যে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যেই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গেই আমরা কাজ করব।’

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ জানিয়ে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘২০২৪ সালের আগস্ট থেকে আমরা এখানে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছি। আমার মনে হয়, আমরা সামনে আরও পরিবর্তন দেখতে থাকব।’

অনলাইনে প্রকাশিত আরেক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচিত সরকারগুলোর সব সময় জনগণকেই সামনে রাখা উচিত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার প্রাথমিক দায়িত্ব আমেরিকার জনগণের স্বার্থ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এজেন্ডা-যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ, শক্তিশালী ও আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যকে এগিয়ে নেওয়া।’

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (আমেরিকা প্রথম) মানে আমেরিকা একা নয়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও অনেক সহযোগিতার সুযোগ আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Arif Arman is a journalist associated with Zoom Bangla News, contributing to news editing and content development. With a strong understanding of digital journalism and editorial standards, he works to ensure accuracy, clarity, and reader engagement across published content.