আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ধর্মপ্রচারক ইউসুফ আল আহমাদকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন সৌদি আরবের একটি আদালত। ২০১৭ সাল থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
রায়ে বলা হয়, কারাভোগ শেষে মুক্তি পেলেও পরবর্তী ৪ বছর তিনি বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তারা টুইটার অ্যাকাউন্টও।
শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) মিডল ইস্ট মনিটরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বইমেলায় যাওয়া, ফাহদ আল-সুনাইদিস সম্মেলনে অংশ গ্রহণ এবং কারাগারে আটক অন্য ধর্ম প্রচারকদের সঙ্গে সাক্ষাতের মতো ঠুনকো কারণে শেখ ইউসুফ আল আহমাদকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আরও চার বছর তার বিরুদ্ধে বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
২০১১ সালে এক ভিডিও বার্তায় রাজবন্দিদের আটক রাখার বিষয়টি সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানোর কারণেও শেখ আহমাদকে একবার গ্রেফতার করা হয়। শাসকের বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়া, জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্মান ক্ষুন্নের অভিযোগে ওই সময় তাকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এক বছর পর তিনি রাজকীয় ক্ষমায় কারাগার থেকে মুক্তি পান। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ধর্মপ্রচারক এবং বুদ্ধিজীবীদের বিরুদ্ধে চালানো সরকারি গ্রেফতার অভিযানে তিনি আবারও আটক হন।
আইনশাস্ত্রের ওপর পিএইচডি করেছেন শেখ আহমাদ। রিয়াদে ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামি ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, কাতারের বিরুদ্ধে রাজ আদালতের নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন অধিকাংশ বুদ্ধিজীবী। এছাড়া, পরবর্তী বাদশাহ হিসেবে আবির্ভুত হওয়ার জন্য অভ্যন্তরীণ বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদ বিন সালমানের নেয়া পদক্ষেপেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এসবকে গ্রেফতার অভিযান পরিচালনার অন্যতম কারণ হিসেবে এটাকে উল্লেখ করেছেন পর্যবেক্ষকেরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


