বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশের উৎপাদন খাতকে লক্ষ্য করে নতুন বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, এই তদন্তের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে নতুন আমদানি শুল্ক আরোপের পথ তৈরি হতে পারে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত বাতিল হওয়ার পর নতুন আইনি পথ ব্যবহার করে আবারও শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১ অনুযায়ী এই তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থার যুক্তি দেখিয়ে আরোপ করা আগের শুল্ককে বৈধ নয় বলে রায় দেন। আদালতের সেই সিদ্ধান্তের ফলে সম্ভাব্য শত শত বিলিয়ন ডলারের রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে প্রশাসন।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের লক্ষ্য হলো নতুন আইনি কাঠামোর আওতায় আবারও আমদানি শুল্ক আরোপের সুযোগ তৈরি করা।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, তদন্তের ফলাফল নিয়ে তিনি আগেভাগে কোনো মন্তব্য করতে চান না।
তিনি বলেন, ‘নীতিটা একই আছে। তবে আদালত বা অন্যান্য নানা বিষয়ের কারণে ব্যবহৃত উপায় বদলাতে পারে।’ তিনি আরও জানান, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান রক্ষা করা।
জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে বিদেশি শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে কি না এবং বিদেশি সরকারগুলো তাদের কোম্পানিগুলোকে এমন সহায়তা দিচ্ছে কি না, যা মার্কিন কোম্পানির তুলনায় অন্যায্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তৈরি করছে।
আরও পড়ুনঃ নাহিদ রানা ঝড়ে লণ্ডভণ্ড পাকিস্তান, উইকেট নয় বরং বোলারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ মাইক
এই তদন্তের আওতায় রয়েছে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, বাংলাদেশ, মেক্সিকো, জাপান ও ভারত।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


