পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইউরোপীয় কমিশনের আন্তর্জাতিক প্রত্যাবর্তন ও ভিসা বিষয়ক বিভাগের পরিচালক হেনরিক নিয়েলসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। বৈঠকে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও ইইউর বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে ইইউর ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ফলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আলোচনায় অভিবাসন ও জনশক্তি স্থানান্তর সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব পায়। প্রতিমন্ত্রী নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন ব্যবস্থার প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি ইইউর ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী ও পেশাজীবীদের জন্য নতুন বৈধ অভিবাসন পথ তৈরির আহ্বান জানান।
বৈঠকে ইইউর আসন্ন ‘অ্যাসাইলাম অ্যান্ড রিটার্ন বর্ডার প্রসিডিউর’ নিয়ে মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও নিয়মিত সংলাপের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়। অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার বিষয়টিও আলোচিত হয়।
আরও পড়ুনঃ
এ ছাড়া বাণিজ্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, এলডিসি-উত্তরণ, শিক্ষা, ক্রীড়া এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও গভীর করতে যৌথ সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



