
আজ সোমবার (১ জুন) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জামায়াত আমির এই তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
ড. শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, মাত্র গত মাসেই এক দফায় ক্ষেত্রবিশেষে ৮ থেকে ১২ শতাংশ বা তারও বেশি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এর প্রভাবে বাজারে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। অথচ এই কঠিন সময়ে মানুষের আয় বাড়েনি, বরং বেকারত্ব ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।
তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, দিশেহারা জনগণ যাবে কোথায়, করবে কী, বাঁচবে কীভাবে? সরকার যেখানে আশ্বস্ত করেছিল যে অন্তত এই মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে না, সেখানে আবারও মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা চলছে। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা নিঃসন্দেহে জনস্বার্থবিরোধী হবে।
আসন্ন বাজেট অধিবেশনের ঠিক আগমুহূর্তে তেলের দাম বাড়ানোর তোড়জোড় নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াত আমির লেখেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি করে যদি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়, তবে এটি হবে এক ধরনের ধোঁকাবাজি।
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতির পেছনেও অর্থনৈতিক সংকট দায়ী মন্তব্য করে তিনি বলেন, সমাজে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে ভয়াবহ রূপ ফুটে উঠেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেশ ও সমাজের অস্তিত্বকে এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
অধিকার আদায়ের জন্য সাধারণ মানুষকে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়ে ড. শফিকুর রহমান বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আমাদের অধিকারের জন্য আমাদেরকেই জেগে উঠতে হবে, কথা বলতে হবে। অধিকার কেউ ঘরে এনে দিয়ে যাবে না, লড়াই করে তা আদায় করতে হবে। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



