
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান ‘মুক্তির মহানায়কে’র অংশ হিসেবে ভাষণটি সব টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়েছে।
বক্তব্যে শেখ রেহানা বলেন, আমাদের প্রাণের প্রিয়, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী আজ। এই দিনে আমরা সবাই মিলে অঙ্গীকার করি— আমাদের যা কিছু আছে, তাই দিয়ে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। সুন্দর, সমৃদ্ধ এবং দারিদ্র্য-দুর্নীতি ও নিরক্ষরতামুক্ত দেশ গড়ব। সোনার বাংলাকে ভালোবাসব। পরশ্রীকাতরতা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখব। ঘরে ঘরে মুজিবের আদর্শের দুর্গ তৈরি করে তার আলো ছড়িয়ে দেবো। কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।
শেখ রেহানা বলেন, আমার বাবা আমাদের মাঝে নেই। তিনি আছেন কোটি মানুষের হৃদয়জুড়ে। এই দিনে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি মুজিবের রত্নগর্ভা মা শেখ সায়রা খাতুন ও বাবা শেখ লুৎফর রহমানকে। আরও স্মরণ করি চিরদিনের সুখে-দুঃখে মরণের সাথী তার প্রিয় ‘রেণু’-কে (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব)।
বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র প্রসঙ্গ টেনে শেখ রেহানা বলেন, বাবা বলতেন, ত্যাগ-তিতীক্ষা ছাড়া কোনো জাতি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। একটা মানুষ দেশের জন্য, মানুষের জন্য কতখানি ত্যাগ স্বীকার করতে পারেন, তা আমরা খুঁজে পাই তারই লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ থেকে। কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি তিনি। লোভ-লালসা ভোগ-বিলাস থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন, করেননি আপস। মানবকল্যাণই ছিল তার ধ্যান-ধারণা, বিশ্বাসে-নিঃশ্বাসে। এমন মানুষ পৃথিবীতে খুব কমই আসেন। এলেও তারা ক্ষণস্থায়ী হন।
বঙ্গবন্ধুর জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানিয়ে শেখ রেহানা বলেন, আজকের এই দিনে আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আমরা সবাই মিলে হাত তুলে দোয়া করি, সর্বশক্তিমান আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জয়তু মুজিব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



