
রোববার বিকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় যোগদানের আগে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সেতুটি দুটি ভাগে নির্মাণকাজ হবে। একটি টাঙ্গাইল অংশে অন্যটি সিরাজগঞ্জ অংশে। ১০০ কিলোমিটার গতিতে সেতুর ওপর দিয়ে রেল চলাচল করতে পারবে। ফলে দেশে রেলের চাহিদা পূরণ হবে। আগামী ২০২৪ সালের আগস্টে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। জাপানের আর্থিক সহায়তায় এর নির্মাণ ব্যয় হবে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, রেল একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। যাত্রী পরিবহন করে রেলকে লাভজনক অবস্থায় নেয়া যায় না। লাভের চেয়ে তাই সেবাকেই প্রাধান্য দেয়া হয় বেশি। আর পৃথিবীর কোনো দেশের রেলই লাভজনক নয়। তবে আমরা রেলকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করে যাচ্ছি। আশা করছি রেল লাভজনক অবস্থায় যাবে।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি সানোয়ার হোসেন, কালিহাতী আসনের এমপি হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনের এমপি ছোট মনির, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা, মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান, জেলা প্রশাসক আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় প্রমুখ।
পরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



