
মেঘের কারণে আলোক স্বল্পতা। হোম অব ক্রিকেটে দিনদুপুরে জ্বালাতে হলো ফ্লাডলাইট। কিন্তু মেঘ যখন বৃষ্টি হয়ে ঝরলো তখন খেলাও বন্ধ হলো। এনসিএলের এমন বৃষ্টি বাঁধার দিনে বিপিএল নিয়ে অনেকটাই কেটে গেছে শঙ্কার মেঘ। জানা গেছে, বিসিবি’র পরিকল্পনা, আর স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের মাহবুব আনাম বলেন, আমাদের জাতীয় দলে যে টিম স্পন্সরশীপ রয়েছে। তারা স্পন্সরশীপের যে বেনিফিটগুলো পান। সেই একই বেনিফিট তারাও পাবে। সরাসরি তাদের কোন ভূমিকা থাকবে না। তবে, বাহির থেকে তারা সাজেশন করতে পারে।
আকতার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম রিফাতুজ্জামান বলেন, বিসিবি পুরো প্লানিংটা করে দিচ্ছে। কীভাবে তারা কি করবে সেই প্লানিংটাও দাঁড় করিয়েছে। প্লেয়ার ড্রাফট কীভাবে, হোটেল বুকিং কীভাবে করা হবে, সবকিছুই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করবো।
স্পন্সররা চায়, বিপিএল কয়েকদিন পেছাতে। তাদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে গভর্নিং কাউন্সিল। বঙ্গবন্ধুর নামে হতে যাওয়া বিপিএল নিয়ে বিসিবির অনেক চাওয়া। সেজন্য, দলগুলোকে মানতে হবে নানা বাধ্যবাধকতা।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের শেখ সোহেল বলেন, হয়তো ১০ বা এক সপ্তাহ পেছানো হতে পারে।
গভর্নিং কাউন্সিল আশ্বস্ত করেছে, আগের চেয়ে জৌলুশ কমবেনা। প্রায় ৪০০ বিদেশি খেলোয়াড় নাকি খেলতে আগ্রহী। নামিদামি বিদেশি কোচরাও নাকি আগ্রহী। তবে, ভেন্যুর ব্যাপারে এখনো আসেনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
এদিকে পূর্বাচলে শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের জন্য দুই ডজন আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান আগ্রহী দেখিয়েছে। সেগুলো যাচাই বাছাই করেই সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



