জুমবাংলা ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগ নিরষ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ২৯৮টি আসনের ফলাফল অনুসারে, জোটগতভাবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেয়েছে ২৮৮ আসন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে মাত্র ৭টি আসন।
আলাদাভাবে আওয়ামী লীগ ২৫৭টি, জাতীয় পার্টি ২২টি, বিএনপি ৫টি, ওয়ার্কার্স পাটি ৩টি, স্বতন্ত্র ৩টি, জাসদ ২টি, বিকল্পধারা ২টি, গণফোরাম ২টি, জেপি ১টি ও তরিকত ফেডারেশন ১টি করে আসন পেয়েছে।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের পর এরশাদ নিজেকে বিরোধীদলীয় নেতা মনোনীত করার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকারের কাছে চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে নিজেকে বিরোধী দলীয় নেতা এবং ভাই জিএম কাদেরকে বিরোধী দলীয় উপনেতা করার অনুরোধ জানান। পরে অবশ্য ভাই জিএম কাদেরকে সরিয়ে স্ত্রী রওশনকে বিরোধীদলীয় উপনেতা করেন।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ৩ জানুয়ারি যখন তার দলের অন্য সদসরা শপথ নেন, তখন তিনি শপথ নিতে পারেননি। পরে হুইল চেয়ারে করে গত ৬ জানুয়ারি স্পিকারের সংসদ কক্ষে শপথ নেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর সেদিনই ছিল সংসদে তার প্রথম যাওয়া। এরপর প্রথম অধিবেশনে একদিন সেই সময়ের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এবং বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গার কাঁধে ভর করে সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার চেয়ারে বসলেও কোনো কথা বলার সুযোগ হয়নি এরশাদের। ওই দিনই ছিল সংসদে তার শেষ যাওয়া।
গত ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। এরপর একে একে তিনটি অধিবেশন শেষ হয়েছে।
রবিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



