যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোতে স্পনসরশিপ-সংক্রান্ত নিয়ম মেনে কিছু ব্র্যান্ড নিজেদের পরিচয় উপস্থাপনের ক্ষেত্রে অভিনব কৌশল গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি লিভাইস এমনই একটি সৃজনশীল উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছে।

যেসব স্টেডিয়ামে লিভাইসের নামকরণের অধিকার রয়েছে, সেখানে তাদের লোগো পুরোপুরি প্রদর্শন না করে ঢেকে রাখা হয়েছে। তবে লোগোর স্বতন্ত্র নকশা—বিশেষ করে নিচের দুটি বাঁকানো আকৃতি—অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। ফলে লোগো পুরোপুরি দৃশ্যমান না হলেও সেটি সহজেই চিনে নিতে পারছেন দর্শকরা। এই ভিন্নধর্মী উপস্থাপনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামেও, যা বিশ্বকাপ চলাকালে ‘বোস্টন স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিত করা হয়েছে। যেহেতু রেজার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি এই বিশ্বকাপের স্পনসর নয়, তাই তাদের লোগো সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলতে হয়েছে।
তবে সেটি করা হয়েছে সৃজনশীল উপায়ে—লোগোর ওপর শেভিং ফোমের মতো একটি আবরণ দেখিয়ে, যার ফলে লোগো সরিয়ে ফেললেও ব্র্যান্ডের পরিচিতি অনেকটাই বোঝা যাচ্ছে।
ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে স্টেডিয়ামগুলোর লোগো সরিয়ে দিলেও ব্র্যান্ডগুলোর পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলা যায়নি। উল্টো, ভিন্ন ভিন্ন সৃজনশীল উপায়ে তারা নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এই অভিনব উপস্থাপনাগুলো দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং অনেকের মতে, ফিফার নিষেধাজ্ঞাই শেষ পর্যন্ত একটি কার্যকর ও আলোচিত বিজ্ঞাপন প্রচারণায় পরিণত হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



