
এ ঘটনায় পুলিশ শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) সকালে মূল ঘাতক পারভেজ এবং তার ফুফু নাজমা বেগমকে আটক করেছে থানা পুলিশ। ঘাতক পারভেজ নগরীর দক্ষিণ ঠাকুরপাড়া এলাকার মহিলা কাউন্সিলর গলির মেনু খান কলোনীর শাহলম মিয়ার ছেলে এবং নাজমা বেগম একই এলাকার তৌহিদ মিয়ার স্ত্রী।
সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে কুমিল্লা নগরীর শেখ ফজিলাতুন্নেছা মডার্ন হাইস্কুলের পেছনে বিসিক এলাকার ভেতর মাঠে ক্রিকেট খেলছিল ইয়াসিনের ছোট ভাই মোহাম্মদ আমিন। এই খেলায় আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করছিল নিপার মামাতো ভাই পারভেজ। নো বল দেওয়ার দ্বন্দ্বের জের ধরে পারভেজ ছুরিকাঘাতে খুন করে আমিনকে।
এদিকে, গতকাল ঘটনার পরে রাতে অভিযান চালিয়ে ঘাতক পারভেজকে আটক করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। তার দেখানো মতে হত্যার কাজে ব্যবহৃত ছোরাও উদ্ধার করা হয়। আমিনের মা শেফালী বেগম সকালে বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানার চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলেন-ঘাতক পারভেজ, তার ছোট ভাই আরমান, ঘাতক পারভেজের খালা নাজমা ও খালু জুয়েল।
নিহত মোহাম্মদ আমিনের বড় ভাই ইয়াসিন বলেন, আমি সম্পর্ক করে বিয়ে করেছি। এজন্য আমার ছোট ভাইকে আমার বউয়ের মামাতো ভাই পারভেজ খুন করছে। আমার ভাইকে খুন করার আগের সপ্তাহে পারভেজ আমার সাথেও ঝগড়া লাগে। ওই সময় এলাকার মানুষ ঝগড়া থামিয়েছে।
আমিনের মা শেফালী বেগম বলেন, ‘আমার পোলাডা সারাডা সাপ্তাহ কাম করতো। শুধু শুক্কুরবার আইলে খেলতো। কেউর লগে কাইজ্জা ঝগড়া করতো না। আমার ভালা পোলাডারে ছুরি দিয়া মাইরালাইলো।’
কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল হক বলেন, ঘটনার দিন দুপুরে এজাহার নামীয় আসামি নাজমা ও রাতে অভিযান চালিয়ে কুমিল্লা রেলস্টেশন এলাকা থেকে ঘাতক পারভেজকে আটক করা হয়েছে। তার দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন এ ঘটনায় আমিনের ভাই ইয়াছিন বাদি হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



