রদ্রিগো ও এস্তেভাওয়ের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের বড় দায়িত্ব ছিলো ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাঁধে। পুরো টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে তিনি নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেও শেষ পর্যন্ত দলকে সাফল্যের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি। শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো।

এই হতাশাজনক বিদায়ের পর গভীর আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা ফরোয়ার্ড। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তিনি জানান, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ধাক্কা কাটিয়ে কীভাবে অনুভূতি প্রকাশ করবেন, সেটি খুঁজে পেতে তার কিছুটা সময় লেগেছে।
ভিনিসিয়ুস লিখেছেন, প্রায় চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো। এমন হতাশার পর কী বলব, সেই ভাষা খুঁজে পাওয়া সহজ নয়।
তিনি আরও বলেন, সব বয়সের অসংখ্য মানুষ আমাদের পাশে ছিলেন, আমাদের স্বপ্নে বিশ্বাস রেখেছেন। তাই নীরব থাকাটা ঠিক হতো না। তবে নিজেকে সামলে নিতে কয়েকটি দিনের প্রয়োজন ছিল।
গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই গোল করা এই ফরোয়ার্ড জানান, ব্রাজিলের জার্সি পরা তার জীবনের সবচেয়ে বড় গর্ব। তাই শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন বলেই মনে করেন তিনি।
ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি জানি এই টুর্নামেন্টের জন্য কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং কতটা মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছি। আপনাদের এবং আমার পরিবারের জন্য আমি এই সাফল্যটা খুব করে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় আমি দুঃখিত।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
শেষে ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী বার্তা দিয়ে ভিনিসিয়ুস বলেন, এই ব্যর্থতার কষ্ট অনেক গভীর। আমাদের দল আরও অনেক দূর যেতে পারত, কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। আমি সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইছি। তবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, ব্রাজিলকে আবারও বিশ্বের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণে আমি লড়াই চালিয়ে যাব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



