
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম ফেসবুক পোস্টে লিখেন, মাঠে কাজ করা দিনমজুর, রিকশাচালক, শ্রমিকসহ দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষের সন্তানদের বিপরীতে গিয়ে এই কোটা সুবিধা নেওয়া আপনার দুর্বল ব্যক্তিত্বের পরিচয় তুলে ধরে, আপনার আত্মসম্মানের মানদণ্ড সেট করে, আপনার আত্মমর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তিনি লিখেন, সারাদিন সরকার, দেশ, মানুষ নিয়ে হাজারটা সমালোচনা করলাম, আর নিজের বেলা মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকলাম অথবা বৈষম্যের পক্ষে সাফাই গাইলাম; এসব ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ভণ্ডামির বহিঃপ্রকাশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, ‘থাকা খাওয়া থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় একাডেমিক সুযোগ সুবিধা অন্য সাধারণ দশটা পরিবারের চেয়ে ভালো পাওয়ার পরেও যদি আপনার সন্তান নিজের যোগ্যতায় একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পায়, তাহলে সে যেখানের যোগ্য অনুগ্রহ করে তাকে সেখানেই ভর্তি করান। তুলনামূলক যোগ্য কারো হক নষ্ট করবেন না। জীবনের সব ধাপে কিন্তু এই কোটা সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। তাই পরিশ্রম করে নিজ যোগ্যতার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মত করে সন্তানকে গড়ে তুলুন।’
সারজিস আলম ফেসবুক পোস্টে বলেন, দেশ পরিবর্তন করতে চাইলে সবার আগে নিজে পরিবর্তন হতে হবে, নিজের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে, নিজের দায়িত্বটুকু পালন করতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরো বাংলাদেশে পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান সারজিস আলম।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



