আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নর্দমা কিংবা আবর্জনা পরিষ্কার করতে নেমে প্রতি বছর বিষাক্ত গ্যাসে পরিচ্ছন্ন কর্মীর মৃত্যু, এরকম খবর নজরে আসে।
ভারতের ভোপালে গ্যাস দুর্ঘটনার পর দেশটির সরকার এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু তারপরও পেটের টানে বহু মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়েই গ্যাস চেম্বারে নামতে থাকেন।
এরপর ২০১৩ সালে এই পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য নতুন আইন আনা হয়। যেখানে তাদের নতুন করে ট্রেনিং দিয়ে কাজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। এবং বলা হয় এরপর তাদের কাজেরও ব্যবস্থা করা হবে। এই আইন প্রনয়ণের পর কেটে গেছে ৬ বছর।
কিন্তু কোথাও কোনও রকম উদ্যোগ ছিল না। এর পিছনে অবশ্য ভারতীয় সমাজ ও অর্থনীতিকেই যদিও দায়ী করা হয়েছিল। অবশেষে উত্তরাখণ্ডের হৃষিকেশে তৈরি হল জাতীয় শৌচালয় মহাবিদ্যালয়।
বিশ্ব টয়লেট কলেজের মডেলের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে এই কলেজ। স্বচ্ছ ভারত মিশন চলাকালীনই এই অভিযানের কথা ঘোষণা করা ভারতে প্রচুর পরিচ্ছন্নকর্মী রয়েছেন। তাদের আরও বেশি কর্মসংস্থানের জন্যই এরকম প্রতিষ্ঠান চালু করার ভাবনা আসে। প্রাথমিক পর্যায়ে তারা ৩০০০ মহিলাকে এই ট্রেনিং দিয়েছেন।
তখনও অবশ্য এই প্রয়াস সরকারি ভাবে শুরু হয়নি। মহিলাদের সাফল্যের পর এবার তাঁরা পুরো বিষয়টির আধুনিকীকরণ করেছেন। আরও বড় কিছুর প্রত্যাশা করছেন কর্তৃপক্ষ। তাদের সঙ্গে জুটি বেঁধেছে হারপিক। এখানে বিনামূল্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শেখানো হচ্ছে বাথরুম পরিষ্কারের নতুন পদ্ধতি। কীভাবে জীবন বাঁচিয়ে পরিষ্কার রাখা যায় চারপাশ।
টাটা মোটরস, হারপিক, হিরো, হোটেল ম্যারিয়ট-সহ আরও নানা জায়গায় কাজ পেয়েছেন এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই নাম লেখানো যাবে এই প্রতিষ্ঠানে। সূত্র: এই সময়
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


