ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর লক্ষ্যে চিভরনসহ অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং বড় তেলক্ষেত্র সেবা কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ভেনেজুয়েলা সরকারও তেল উৎপাদন বাড়ানোর নতুন লক্ষ্য নিয়েছে।

ব্লুমবার্গ নিউজের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদনে তোড়জোড় বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনেজুয়েলার পুরোনো ও জরাজীর্ণ তেল অবকাঠামো মেরামত ও আধুনিকায়নের জন্য কয়েকটি মার্কিন তেলসেবা কোম্পানিগুলোকে কাজে লাগাবে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আওতায় পুরোনো যন্ত্রপাতি বদলানো, ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম মেরামত এবং পুরোনো ড্রিলিং সাইট নতুন করে চালুর পরিকল্পনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, আধুনিক মার্কিন প্রযুক্তি ও কৌশল ব্যবহার করলে কয়েক মাসের মধ্যেই বিদ্যমান কূপগুলো থেকে নতুন করে উৎপাদন শুরু করা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা সীমিত বিনিয়োগ ও স্বল্প সময়ে ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন কয়েক লাখ ব্যারেল পর্যন্ত বাড়িয়ে নিতে চায়।
রয়টার্স জানিয়েছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে ব্লুমবার্গের এই প্রতিবেদন যাচাই করতে পারেনি। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস, চিভরন, এসএলবি ও বাকের হিউজেসের মন্তব্য চাইলেও সাড়া পায়নি রয়টার্স।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলায় তেল খনন কার্যক্রম শুরু করবে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশটির তেল উৎপাদন বাড়ানোর ব্যাপারে ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রহ আরও জোরালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্পের এমন বার্তার পর ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেক্টর ওব্রেগন বলেছেন, নতুন সংস্কারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার মতে, ২০২৬ সালের লক্ষ্য হলো অন্তত ১৮ শতাংশ তেল উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


