
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন তিনি। ওই দিন ভিসির বাসভবনে সকালের নাশতার মাধ্যমে সেখানে থাকা শুরু করবেন নিজের রুম ছেড়ে গণরুমে অবস্থান নেওয়া তানভীর।
গণরুম সমস্যা সমাধানের জন্য উপাচার্য বরাবর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বানের পাশাপাশি সাময়িক সমাধানের কয়েকটি প্রস্তাবসংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছিলেন ডাকসুর এই সদস্য। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রো-উপচার্য, প্রক্টর, সব হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি এবং ডাকসুর সব নির্বাচিত প্রতিনিধি বরাবর এর অনুলিপি দিয়েছি। এরপর গণরুমবাসী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এক ছাত্র সমাবেশ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখতে না পেলে উপচার্যের বাসভবনে ওঠার ১৫ কার্যদিবসের আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম।’
তাদের আলটিমেটাম ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে আশাব্যঞ্জক কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রশাসনকে সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তানভীর বলেন,‘কিন্তু দুঃখজনক হলো, সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে কোনো পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আগামী মঙ্গলবার উপাচার্য মহোদয়ের বাসভবনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এদিন সকালে স্যারের সঙ্গে নাশতা করার মধ্য দিয়ে আমরা সেখানে থাকা শুরু করব।’
তানভীর বলেন, ‘উপাচার্য মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক হয়েও শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সমাধান করতে পারছেন না। শিক্ষার্থীরা মানবেতর জীবন যাপন করবে আর তিনি প্রাসাদোপম বাংলোয় থাকবেন এটা কোনোভাবেই অভিভাবকসুলভ কাজ হতে পারে না।’
‘উপাচার্য মহোদয়ের বিবেকে না বাধলেও গণসমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের অভিভাবকের ছায়াতলে আশ্রয় নিতে চাই।’
গণরুম সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভোট চেয়েছেন ডাকসু সদস্য তানভীর হাসান সৈকত। নির্বাচিত হওয়ার পর এখনো এর কোনো সমাধান করতে না পেরে লজ্জিত হয়ে তিনি গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে তার বৈধ সিট ছেড়ে গণরুমে থাকছেন। এরই মধ্যে তিনি গণরুমের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে দাবি আদায়ের জন্য মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



