জুমবাংলা ডেস্ক: সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মিরপুর মহল্লার কালাচাঁন মোড়ে বাস ও ট্রাকের মাঝখানে চাপা পড়ে নিহত নহ বনবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ইফরাত সুলতানা রুনী। দুর্ঘটনার পর তার শরীরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার চুরি হয়ে যায়। পরে থানায় অভিযোগ করেন নিহত শিক্ষিকার স্বজনরা।
এ ঘটনায় তিন ডোমকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ডোমের কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আটককৃত ডোমরা হলেন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের ডোম রানা (৩২), শাহ আলম (৩০) ও সুমন (৩৫)।
মামলার বাদী মোসফেকুল সালেহীন জানান, দুর্ঘটনার সময় আমার বোনের সঙ্গে স্বর্ণের একটি চেইন, দুইটি আংটি, দুইটি হাতের বালা, একজোড়া কানের দুল ও নাকফুল ছিলো। মর্গে থেকে মরদেহ পাওয়ার পর তার শরীরে কোনও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়নি।
সিরাজগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, তিনজন ডোমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে নিহত শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছি। স্বর্ণালঙ্কার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফরিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে আমি অবগত নয়। যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে অবশ্যই ডোমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার স্কুলশিক্ষিকা ইফরাত সুলতানা রুনী ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে শহরে যাচ্ছিলেন।কালাচাঁন মোড় এলাকায় পৌঁছলে এনায়েতপুর দরবার শরীফ থেকে সিরাজগঞ্জগামী জাহাঙ্গীর পরিবহনের একটি বাস সামনের একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে রিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে রিকশাটি ট্রাকের পেছনে ধুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই স্কুল শিক্ষিকা রুনী ও তার ছেলে নিহত হন। এ সময় গুরুতর আহত শিশু সোয়াবা রহমান ও রিকশাচালক চাঁন মিয়া। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক শিশু সোয়াবা রহমানকে মৃত ঘোষণা করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


