
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘সাধারণ ভোটারদের ফিংগারপ্রিন্ট নেওয়ার পর তাদের ভোট আওয়ামী লীগের কর্মীরা দিয়ে দিয়েছেন। আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে আগে আগে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে।’
ডিএসসিসিতে বিএনপি মনোনীত এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘আজ ধানের শীরের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার অপকৌশল সৃষ্টি করে একটি জালিয়াতির নির্বাচন করেছে। এই নির্বাচন সবাই দেখেছে। তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। এত বড় ঐতিহাসিক দল, তাদের নির্বাচনে জিততে হলে এ ধরনের কৌশল অবলম্বন করতে হয়! এভাবে বেশি দিন লাভ হবে না। শেষমেশ জনগণেরই বিজয় হবে।’
এই মেয়র প্রার্থী আরও বলেন, ‘আমি কোনও অভিযোগ দিচ্ছি না। আমি বাস্তবতা তুলে ধরেছি। প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই দেখেছেন নির্বাচনে কী হয়েছে। আমি বলতে পারি, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও বলতে পারবেন এতে কী হয়েছে। তারা যখন রাতে আয়নার দিকে তাকাবেন, বিস্তারিত দেখতে পাবেন। আর ভোট প্রত্যাখ্যান করার বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমি মেনে নেবো।’
ভোট কাস্টিংয়ের হার প্রসঙ্গে ইশরাক বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সব রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয়করণ করে ফেলা হয়েছে। অনেক প্রিজাইডিং অফিসারও আমাদের পেছনে পেছনে ঘুরেছেন। তারা বলেছেন, তাদের হাত-পা বাঁধা। আমরা কী করবো?’
ইভিএম প্রসঙ্গে ইশরাক বলেন, ‘ইভিএমের বিষয়টি শুরু থেকেই বলে আসছি। বাংলাদেশের মানুষ এই পদ্ধতিতে অভ্যস্ত নয়। একজন ফিংগারপ্রিন্ট দেওয়ার পর অন্যজন ভোট দিয়ে দিচ্ছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এটাও জেনেছি, এক শতাংশের পরিবর্তে বিশেষ কোড ব্যবহার করে ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ভোট প্রিজাইডিং অফিসাররা দিয়ে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা আব্দুর রহমান তো ঘোষণাই দিয়ে দিয়েছেন, তারা ভোটকেন্দ্র দখল করে নিয়ন্ত্রণ করবেন। এসব কথা শুনে তো অবশ্যই ভোটাররা শঙ্কিত হবেন। আমরা অনেক সংযত ছিলাম। বিএনপি কোনও বিশৃঙ্খলা করেনি। অনেক বাধা-বিপত্তি হয়েছে। আমরা সেটা সহ্য করেছি। আমরা কিন্তু পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাইনি।’ বিএনপি প্রতিক্রিয়া দেখালে অনেক সহিংসতা হতো বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



