
এই দুটি প্রস্তাবনার একটি হলো, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা। অন্যটি হলো, ৯ দিনে ৩৮টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়া। যদি এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় তবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি জাতীয় গণমাধ্যমকে জানান, শিগগির এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এখন মাউশির প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।
মাউশির উপপরিচালক মো. এনামুল হক হাওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন, তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঠিক করবে, কীভাবে ভর্তির কাজটি হবে।
অন্যান্য বছর ডিসেম্বরের শুরুতে বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির আবেদন নেওয়া শুরু হয়। তবে এ বছর করোনার কারণে শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলো হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব বিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



