
সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের বারইল এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে বিপ্লব হোসেন (২১) এর সাথে হরিরামপুর উপজেলার বাল্রা ইউনিয়নের অষ্টম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ের প্রস্ততি চলছিল। খবর পেয়ে বাল্যবিয়ে ভেঙ্গে দেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা শিরিন।
শুক্রবার ( ২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বারইল এলাকায় বরের বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বাল্যবিয়ে ভেঙ্গে দেন ও বরের মাকে জরিমানা করেন।
জানা যায়, অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া ওই স্কুলছাত্রী হরিরামপুর উপজেলার বাল্লা ইউনিয়নের বাসিন্দা। বেশ কিছুদিন যাবৎ তার বাড়ির পাশে রাজমিস্ত্রীর কাজ করছিল বিপ্লব হোসেন। সেসময় ওই স্কুলছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিপ্লব। পরে বিয়ের প্রলোভনে ওই স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে বিপ্লব। পরে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজনকে ডেকে এনে বিয়ের প্রস্ততি গ্রহণ করে বিপ্লবের পরিবারের লোকজন। সেসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে বরের মাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মেয়ের বাবাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে বর বিপ্লব হোসেন ও কাজী আগেই পালিয়ে যায়।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা শিরিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। বাল্যবিয়ের প্রস্ততি নেওয়ায় বরের মতাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং মেয়ের বাবাকে মুচলেকা নিয়ে কনেকে কনের বাবার জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


