জুমবাংলা ডেস্ক : ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ইশারত হোসেন দীর্ঘ নয় মাস কারাভোগের পর অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেলেন। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। ইশারত হোসেন দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গত ১১ নভেম্বর জেল থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এর আগে বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে জেল থেকে প্যারোলে মুক্তি নিয়ে তিনি ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের কাছে শপথ পাঠ করেন।
দ্বিতীয় ধাপে গত ১১ নভেম্বর সালথা উপজেলার ৯ নম্বর ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইশারত হোসেন (টেলিফোন) প্রতীকে ৩ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন (টেবিল ফ্যান) পান ১ হাজার ৭৯২ ভোট।
জানা যায়, চলতি বছরের ৫ এপ্রিল সালথায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে জনতার বিরোধ হয়। এরই সূত্র ধরে স্থানীয় জনতা উপজেলা পরিষদ ভবন ঘেরাও করেন এবং উপজেলা পরিষদ ভবনে আগুন লাগিয়ে তাণ্ডব, ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা দায়ের করে। ওই দুই মামলায় সালথা থানা পুলিশ গত ১৪ এপ্রিল ইশারত হোসেনকে গ্রেফতার করে।
এর পর থেকে ইসারত ফরিদপুর জেল হাজতে ছিলেন। জেল থেকেই তিনি রামকান্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। পরে তিনি জেল থেকেই ইউপি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


