Advertisement
জুমবাংলা ডেস্ক : যমুনা নদীর ওপরে নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশেই ‘বঙ্গবন্ধু ডুয়েল গেজ রেল সেতুর’ নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। সোমবার (১২ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ের সয়দাবাদ স্টেশন ও ডুয়েল গেজ রেল সেতুর চলমান কাজ ঘুরে দেখেন তিনি। গত বছরের ২৯ নভেম্বর ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জানা যায়, জাপানের জাইকার অর্থায়নে ২০২৫ সালের মধ্যে রেল সেতুটির বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। রেল সেতুর ওপর দিয়ে কম করে হলেও ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারবে। সেতুর ওপর দিয়ে দ্রুতগতিতে রেল যোগাযোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থার আরও উন্নয়ন ঘটবে।

বর্তমানে যমুনা নদীর ওপর যে সেতুটি রয়েছে, সেটি সিঙ্গেল লাইনের। তাতে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ট্রেন চালানো যায় না। ফলে অনেক সময় নষ্ট হয়। ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হয়। নতুন রেল সেতুতে ডাবল লাইন রাখা হয়েছে। একসঙ্গে দুই দিক থেকে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী কামরুল আহসান জানান, মূল সেতুটি দুটি প্যাকেজের আওতায় বানানো হয়েছে। নির্মাণ ব্যয়ের ৭২ শতাংশ ঋণ সহায়তা দিচ্ছে জাপান (জাইকা)। সেতুটির পূর্ব অংশ নির্মাণ করবে ওবায়শি করপোরেশন, টিওএ করপোরেশন এবং জেএফই। এই অংশের জন্য ব্যয় হবে ছয় হাজার ৮০১ কোটি টাকা।

অন্যদিকে আইএইচআই এবং এসএমসিসির যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হবে পশ্চিম অংশ। এই অংশে ব্যয় হবে ৬ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা। এ সময় মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কেএম হোসেন আলী হাসান ও সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম। এছাড়া এসময় প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.