
স্পোর্টস ডেস্ক : টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কিপিং করা একেবারে ছেড়েই দিলেন মুশফিকুর রহিম। ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশ দলে সার্ভিস দেওয়ার পর এমন সিদ্ধান্তকে তার প্রতি অবিচার-অপমান হিসেবে দেখেছেন অনেকে। অনেকের মতে, অভিমানে কিপিং ছেড়েছেন মি. ডিপেন্ডেবল। এমন সব গুঞ্জনের মধ্যেই ২৫ দিন কেটে গেছে, এ নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি মুশফিক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে কিপিং করবেন নুরুল হাসান সোহান। তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচে গ্লাভস হাতে নেবেন মুশফিকুর রহিম। এই চার ম্যাচের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পঞ্চম ম্যাচে কে কিপিং করবেন তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কিন্তু শুক্রবার বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক জানালেন, ক্রিকেটের এই ক্ষুদে সংস্করণে কেন কিপিং ছাড়লেন তিনি। তার কথায় যা বোঝা গেল, নিজে নয়, দলের চাওয়াতেই কিপিং ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। রাজধানী একটি হোটেলে হাজির হয়ে নিজের নামে একটি অনলাইন গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুশফিককে কিপিং ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। জবাবে মুশফিক বলেন, ‘বারবারই বলি যে টিম ম্যানেজমেন্ট যেভাবে আমাকে দেখতে চাইবে আমিও সেভাবে সেই ভূমিকায় মানিয়ে নিতে চাই। এখন যদি তারা ব্যাটিংয়ে আমার কাছ থেকে অনেক বেশি কিছু আশা করেন তো আমি সেটাই চেষ্টা করব। যেন এখানে ফোকাস করে দলের উপকারে আসতে পারি।
আমি মনে করি যে একজন ব্যক্তির চেয়ে অবশ্যই দল বড়। তো আমি ব্যাপারটাকে সেভাবেই নিচ্ছি। দলের চিন্তা বা কম্বিনেশন যদি অন্যরকম থাকে, যেটা কিনা সদস্য হিসেবে অবশ্যই আমাকে মানিয়ে নিতে হবে, আমি চেষ্টা করি সবসময় টিম প্লেয়ার হিসেবে খেলার। লক্ষ্য একটাই দলের জয়ে ভূমিকা রাখা, সেটা যে কোনো পজিশনে থেকে হোক। তাই সবসময় যে দায়িত্বই দেয়া হোক না কেন সেটা ঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করি।’ অর্থাৎ মুশফিকের কথায় বোঝা গেল, টিম ম্যানেজমেন্ট চাওয়ার কারণেই বাধ্য হয়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট আর গ্লাভস পরবেন না তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


