
সরকারি চিকিৎসক হয়েও তিনি গণমাধ্যমে পরিচিত ছিলেন জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান হিসেবে। পরে অবশ্য গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছেন তিনি জেকেজি হেলথ কেয়ারের মালিকানা বা চেয়ারম্যান পদে না থাকার বিষয়ে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পদে থাকা অনৈতিক। এ বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে্।
এর আগে ডা. সাবরিনা আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল দুপুরে। কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারহারুন অর রশিদ আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আদালতে আগামীকাল সোমবার সাবরিনাকে নেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



