জুমবাংলা ডেস্ক : যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ লাইনের এলপি গেটে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রফিকুল ইসলাম (২৭) বুধবার ঠাকুরগাঁওয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট (বালিয়াডাঙ্গী) আমলী আদালত-৩ -এ জামিন নিতে হাজির হয়েছিল। কিন্তু আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ডঃ আব্দুল মজিদ অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামের জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ক্ষুদ্র মাছ খুড়িয়া গ্রামের দারাজুল হকের ছেলে ও ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ লাইনের পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম ২০১৬ সালের ২৩শে মার্চ তার পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরবাড়ি গ্রামের হাফিজত আলীর কন্যা মোছাঃ রাশেদা খাতুনকে পারিবারিক ভাবে আট লাখ ৫০হাজার টাকা মহরানায় বিয়ে করে। বিয়ের পর কিছুদিন তারা সুখে শান্তিতে কাটায়।
পরবর্তীতে রফিকুল ইসলাম তার স্ত্রী রাশেদাকে তার বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক বাবদ পাঁচ লাখ টাকা এনে দিতে বলে। এতে রাজি না হলে পুলিশ কনস্টেবল রফিকুল তার স্ত্রী রাশেদার উপর শারীরিক ও মানসিকভাকে অকথ্য নির্যাতন শুরু করে। এক পর্যায়ে রাশেদাকে মারপিট করে তার বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
বিষয়টি আপোষ মিমাংশার জন্য স্থানীয় ভাবে কয়েকবার সামাজিক শালিশ বৈঠক করা হয়। কিন্তু তাতেও রফিকুল যৌতুকের পাঁচ লাখ টাকা ছাড়া স্ত্রীকে তার বাবার বাড়িতে ফেলে রেখে যায়। এতে উপায়ন্তর না পেয়ে স্ত্রী রাশেদা যৌতুকের দাবিতে তাকে নির্যাতনসহ ভরনপোষন না দেওয়ার অভিযোগে ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যসহ পাঁচ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করে। তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে শুনানীর পর বিজ্ঞ বিচারক রফিকুলের নামে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


