বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে। তারপর বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে চামড়া খাতে। বর্তমান অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসের সাথে তুলনা করে ১১.৬৫ শতাংশ রপ্তানি কমে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে যে প্রতিযোগিতা হয় সেখানে বাংলাদেশে দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। তাছাড়া লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ অর্জন করা এখনো সম্ভব হয়নি বিদায় হতাশ ব্যাবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শ্রমিক বিক্ষোভের প্রভাব পড়েছে এই খাতে। এছাড়া, লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ না থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছে না ট্যানারিগুলো।
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘জুলাইয়ের পরে অনেকগুলো কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। উৎপাদনটা যখন স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছিল তখন আমাদের যারা বিদেশি ক্রেতা, তারা ক্রয়াদেশগুলো স্লো করে দিলে আজকের এই অবস্থা। ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের যে সমস্যাটুকু আছে সেটার সমাধান হলেই কিন্তু আমরা ট্যানারি সাইডে অনেকটাই প্রস্তুত।’
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাস জুলাই থেকে ডিসেম্বরে চামড়া রপ্তানি ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে ৬২ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭০ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলার।
চামড়া খাতের বিশেষজ্ঞ আফজাল হোসেন বলছেন, ‘পরিবেশের মানদণ্ড রেখে সার্টিফাইড লেদার ইন্ডাস্ট্রিজের পরিমাণ খুবই কম। নগণ্য একেবারে। ক্রাইটেরিয়া যেগুলো আছে, যেহেতু সরকার দায়িত্ব নিয়েছে আমি বলব তারা বেশ কয়েক জায়গায় ব্যর্থ।’ এলডব্লিউজি সনদ পেলে বিশ্ববাজারে চামড়া পণ্যের ভালো দাম পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।