
বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর নিকুঞ্জের টানপাড়ায় সড়ক দখল করে অবৈধ সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সংবাদ প্রকাশ করায় সিনিয়র সাংবাদিক জাহিদ ইকবাল ও তার ছেলে বাংলাদেশ টাইমসের রিপোর্টার তাসবির ইকবালের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
গত শনিবার (৭ই মার্চ) সংবাদ প্রকাশের জেরে অভিযুক্তরা প্রথমে সাংবাদিকের বাড়ির সামনে এসে হুমকি-ধমকি দেয় এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিকল্পিতভাবে প্রোপাগান্ডা শুরু করে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, টানপাড়ার অভিযুক্ত সবুজ ফায়েজ ও রায়হান সানভিমরা রাস্তার প্রায় ২ ফিট জায়গা দখল করে অবৈধভাবে সীমানা প্রাচীর ও সিঁড়ি নির্মাণ করছিলেন। এই অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তারা সাংবাদিক জাহিদ ইকবাল এবং তার ছেলে তাসবির ইকবালকে লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো শুরু করে।
অভিযুক্তরা নিজেদের ফেসবুক আইডি ও একাধিক ফেক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বানোয়াট ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে যার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী জানান, অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে নিজস্ব কোনো জায়গা নেই, তারা জনচলাচলের রাস্তা দখল করেই এই নির্মাণকাজ চালাচ্ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সবুজ ও সানভিমসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ দিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারা এখন পরিচয় পরিবর্তন করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, তারা আগে রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়লেও এখন পরিকল্পিতভাবে সেই জায়গা দখল করছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। অন্যদিকে, সাংবাদিক জাহিদ ইকবাল ও তার ছেলে তাসবির ইকবাল দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
বিশেষ করে নিকুঞ্জ এলাকায় অটোরিকশা বন্ধের আন্দোলনে তাদের জোরালো ভূমিকা ছিল। মূলত নিজেদের অবৈধ দখলদারিত্ব আড়াল করতেই এই চক্রটি একজন পেশাদার সাংবাদিকের সম্মানহানির চেষ্টা চালাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


