জশ হ্যাজলউডের ওভারে টানা তিনটি চার ও একটি ছক্কা, পরের ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারকে দুই ছক্কায় স্বাগত জানিয়ে হাফসেঞ্চুরি—এভাবেই আবারও আলোচনায় ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশী। চলতি আইপিএলে ধারাবাহিক বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে এখন তিনি সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষে।

গতকাল (শুক্রবার) গুয়াহাটির বারসাপারা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে রাজস্থান রয়্যালসের জয়ে ২৬ বলে ৭৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন এই কিশোর ব্যাটার।
ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরু ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২০১ রান করে। অধিনায়ক রজত পাতিদার ৪০ বলে ৬৩ এবং বিরাট কোহলি ১৬ বলে ৩২ রান করেন। ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও রোমারিও শেফার্ডও ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস খেলেন।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ফিরলেও সূর্যবংশী ও ধ্রুব জুরেল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন। মাত্র ৩৭ বলে ১০৮ রানের জুটি গড়ে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৯৭ রান তোলে রাজস্থান, যা তাদের আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে স্কোর।
সূর্যবংশী মাত্র ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, যা চলতি আসরে তার দ্বিতীয় ১৫ বলের ফিফটি। আইপিএলে একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ২০ বলের কমে একাধিক ফিফটি করার নজিরও গড়েছেন তিনি। ইনিংসটি তিনি শেষ করেন ২৬ বলে ৭৮ রানে, যেখানে ছিল ৮ চার ও ৭ ছক্কা।
ধ্রুব জুরেল ৪৩ বলে ৮১ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। সূর্যবংশী ফেরার পর রিয়ান পরাগ ও শিমরন হেটমায়ারের দ্রুত আউট হলেও রাজস্থানের জয়ের পথে কোনো বাধা তৈরি হয়নি।
এই জয়ের ফলে রাজস্থান রয়্যালস চার ম্যাচে চারটিতেই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে। অন্যদিকে বেঙ্গালুরু তিন ম্যাচে একটি হারে রয়েছে তৃতীয় স্থানে।
চলতি আসরে সূর্যবংশীর চার ইনিংসের রান ৫২, ৩১, ৩৯ ও ৭৮। ২৬৬ স্ট্রাইকরেটে তার মোট রান ২০০। একই দলের জয়সওয়াল ও জুরেলও দারুণ ফর্মে আছেন, পাশাপাশি বোলিংয়েও রবি বিষ্ণয় ৯ উইকেট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


