
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের দুই সদস্য হলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহাম্মদ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক এমদাদুল হক চৌধুরী। তারা মঙ্গলবার বগুড়ার শেরপুরে আমিনপুর মাঠে প্রতিকৃতি স্থল পরিদর্শন শেষে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বর্তমানে চীনের ৭০ বিঘার শস্যচিত্রের রেকর্ড ভাঙার ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
অধ্যাপক এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, তারা পরিদর্শনের সময় কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব দেন। এর মধ্যে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বা ক্রপ ফিল্ড মোজাইকে কী পরিমাণ কাজ হয়েছে, সেটি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ ছাড়া গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাতে দুই রঙের শস্য দিয়ে প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তুলতে হয়। আমিনপুর মাঠে সবুজ ও বেগুনি রঙের শস্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
গিনেস বুকে নাম লেখাতে শস্যের রং অবশ্যই প্রাকতিক হতে হয়, আমিনপুর মাঠের দুই ধরনের শস্যের রংই প্রাকৃতিক পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সব কটি শর্তই এখানে পরিপূর্ণভাবে মানা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে যা যা দরকার, সবই আছে এখানে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



