গাইবান্ধায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষা কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৫১ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জন নারী ও ৩৪ জন পুরুষ পরীক্ষার্থী।

আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর ৩ তিনটা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের দেড় ঘণ্টার পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে জেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের পরীক্ষা সংশ্লিষ্টরা।
এ সময় আটক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ডিভাইসসহ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে আটককৃতদের রাতে গাইবান্ধা সদর থানায় নেওয়া হয়।
পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সারাদেশের ৬১ জেলার সাথে গাইবান্ধা জেলাতেও ৪৩ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ৩ টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলে বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত।
এ সময় ৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৪টি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ৪৮ জন এবং কেন্দ্রে প্রবেশের সময় তিন পরীক্ষার্থীসহ মোট ৫১ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। ২৪টি কেন্দ্রের মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যক ১১ জন পরীক্ষার্থীকে আটক হয় গাইবান্ধা সদর উপজেলার ‘কুপতলা আব্দুল কাইয়ূম হাইস্কুল’ কেন্দ্র থেকে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, আটক পরীক্ষার্থীরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করছিলেন। কেন্দ্রের দায়িত্বরতদের সহায়তায় তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের চাকরিচ্যুত সেই সুমন দাসের নেতৃত্বেই ৭ কোটি টাকার স্বর্ণ ছিনতাই
তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে। সেই সাথে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে তাদের রিমান্ড চাওয়া হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল ডিভাইস চক্রের মূল হোতাদের ধরতে কাজ করছে পুলিশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


