
শনিবার (৪ সেপ্টেস্বর) জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ বিল-২০২১ টির সংশোধনী প্রস্তাবের ওপর আলোচনাকাল অপ্রসঙ্গিত হিসেবে বাবলু প্রস্তাবটি করেন। বাবলুর এই প্রস্তাবেবর সময় সংসদে হাসির রোল পড়ে যায়।
তিনি বলেন, করোনার কারণে চার কোটি জনগোষ্ঠী বেকার হয়েছে। আমাদের দেশে প্রচলিত সামাজিজক রেওয়াজ আছে। চাকুরীজীবী কোন পুরুষ চাকুরীজীবী নারীকে বিয়ে করতে চান। আবার চাকুরিজীবী নারীও একজন চাকুরিজীবী পুরুষকে বিয়ে করতে চান। এতে কিন্তু বেকার সমস্যার সমাধান হয় না।
তিনি বলেন, এখানে আইনমন্ত্রী আছেন উনাকে নিবেদন করবো। এমন একটি আইন উনি সুবিধাজজনক ভাবে করবেন যে কোন চাকুরিজীবী নারী কোন চাকুরিজীবী পুরুষকে বিয়ে করতে পারবেন না। এবং কোন চাকুরিজীবী পুরুষ কোন চাকুরিজীবী নারীকে বিয়ে করতে পারবেন না। তাহলে আমাদের বেকার সমস্যাটা অনেক পরিমাণে লাঘব হবে। এই প্রস্তাবটি আমলে নিয়ে চার কোটি বেকারের কিছুটা হলেও লাঘব হবে।
প্রস্তাবের পেছনে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, আমার প্রস্তাবের পেছনে আরো একটি কারণ আছে। যখন চাকুরিজীবী দম্পত্তি অফিসে যান তাদের শিশু সন্তানরা গৃহকর্মীদের দ্বারা দারুণভাবে নির্যাতিত হয়।
ওই প্রস্তবাবের জবাব দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সংসদ সদস্য বললেন স্বামী চাকরি করলে চাকুরিজীবী মেয়ের সাথে তাকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এ রকম প্রস্তাব নিয়ে আমি এখান থেকে দু’কদমও হাটতে পারবো না। এটা অসাংবিধানিক প্রস্তাব। কীভাবে এই প্রস্তাব এখানে এলো বুঝতে পারলাম না। আমাদের বাকস্বাধীনতা রয়েছে। উনি যা খুশি তাই বলতে পারেন। নিশ্চয় উনি যা খুশি তাই এর মধ্যে আছেন। কিন্তু আমি যা খুশি তাই গ্রহণ করতে পারবো না। কারণ আমি জনগণের প্রতিনিধি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



