
জুমবাংলা ডেস্ক : হামলার শিকার দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তিনি সবাইকে চিনতে পারছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক অধ্যাপক জাহেদ হোসেন।
ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানমের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন জাহেদ হোসেনসহ মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।
পরে তারা সেখানে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আহত এই সরকারি কর্মকর্তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল ও তার দ্রুত উন্নতি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। একজন সাংবাদিক জানতে চান যে, হামলায় ওয়াহিদা খানমের শরীরের যে অংশ অবশ হয়েছিলো তার উন্নতি হয়েছে কিনা।
জবাবে জাহেদ হোসেন বলেন, ‘না সেটার উন্নতি হয়নি এখনো। যেমন ছিলো তেমনি আছে। যেহেতু ব্রেনের মধ্যে হাড় ঢুকে গিয়েছিলো সেজন্য এটার উন্নতি হয়নি। ঠিক হতে কতদিন লাগবে বা কতখানি হবে এখনি বলা যাচ্ছে না। তবে আমরা আশাবাদী।’
তিনি জানান, ওয়াহিদা খানমকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এবং এই সময়সীমা শেষ হলে পরশু পর্যালোচনা করা হবে যে তাকে আর আইসিইউ বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হবে কিনা।
‘এখন তার অবস্থা পজিটিভ। অক্সিজেন লেভেল বেড়েছে ও প্রেসারেরও উন্নতি হচ্ছে,’ বলছিলেন তিনি। ওদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলমও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন। খুরশীদ আলম অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের কাছে তার প্রতিক্রিয়ায় ওয়াহিদা খানমের অবস্থা ভালো বলে মন্তব্য করেছেন।
বুধবার ভোররাতে উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ইউএনও ওয়াহিদা জামান ও তার বাবাকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে জখম করে দুইজন দুর্বৃত্ত।
পরে মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। গতকাল রাতে জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইন্সটিটিউট হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদেরকে আজই আদালতে তোলার কথা রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


