
সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টার নামে একটি ভবন দখলে নিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রসহ ঢাকার ১২টি ক্লাবের জুয়া ও ক্যাসিনো নিয়ন্ত্রণ করতেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাঈদকে দিয়ে তিনি ক্যাসিনো চালাতেন। এছাড়া সম্রাট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতেন। এসব খাতের টাকা সম্রাটের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত আরমানের কাছে জমা হতো।
সম্রাট প্রায়ই ক্যাসিনো খেলতে সিঙ্গাপুরে যেতেন। জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক দেশে টাকা পাচার করার কথা স্বীকার করেন তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



