
এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন বুঝতে পেরেছি রেলমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়ার আগে পরিকল্পনামন্ত্রীর সাথে কথা বলে নেওয়া উচিত ছিল। কারণ আমি তো সুনামগঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সম্পর্কে জানি না।
ফেসবুকে স্ট্যাটাসের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মঙ্গলবার (২২ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার কার্যালয়ে এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, মান্নান আমার বন্ধু, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক অটুটু রয়েছে। ঘটনাটি হল, আমরা কানেক্টিভিটি চাই। কিন্তু ঢাকা-সিলেট রেলপথ অত্যন্ত পুরোনো- রদ্দি মার্কা। সরকার এটিকে ব্রডগেজ করতে পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু রেলমন্ত্রী বলেছেন এটিতে অনেক খরচ হবে। কারণ সিলেটে শেষপ্রান্ত সেখানে ডিপো করতে হবে।
সুনামগঞ্জে রেললাইন নিয়ে যাওয়া নিয়ে রেলমন্ত্রীকে চাহিদাপত্র বা ডিও লেটার দেওয়ার ব্যাখ্যা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি ভুল স্বীকার করে বলেন, মান্নানের সঙ্গে দেখা হলে আমার পাশে বসে বলেছে, তাকে তো আমি ফোন করে তাদের আসার কথা বলতে পারতাম। এটি না করেই ডিও লেটার পাঠিয়ে দিলাম। এর মধ্যে আমি যুক্তরাষ্ট্র চলে গেছি। তারপরেই এনিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। ওর (মান্নান) সঙ্গে দেখা হলে আমি আলাপ করবো।
একইসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে মান্নানের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



