জাহিদ ইকবাল: রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের অতর্কিত লাঠিচার্জ ও হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)। সংগঠনটি এই ঘটনাকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পথে সরাসরি বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে বাংলামোটর মোড়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ বিনা উসকানিতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক ব্যক্তি ভিডিও ধারণ করলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে ফেলা হয় এবং তাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুললে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন তল্লাশি এবং ভিডিও ডিলিট করার আইনগত এখতিয়ার নিয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সাংবাদিকদের ওপর লাঠিচার্জ করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এতে আরটিএনএনের চিফ মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আবু বক্কার সিদ্দিকসহ অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন সাংবাদিক আহত হন।
এমআরএ’র বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, এক পুলিশ সদস্যের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে, যা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল। সংগঠনটি বলেছে, ভিডিও ফুটেজ থাকার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা দুঃখজনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।
সংগঠনের সভাপতি ফখরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “পুলিশের এমন আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী। এ ধরনের ঘটনা শুধু গণমাধ্যমকেই নয়, সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।”
আরও পড়ুনঃ
জামায়াতের ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন তারেক রহমান
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


