গত বছর মুক্তির পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ধুরন্ধর। ছবিটিতে রণবীর সিং ও সারা অর্জুন-এর জুটি নিয়ে শুরুতে যতটা প্রশ্ন উঠেছিল, মুক্তির পর তার চেয়েও বেশি প্রশংসা এসেছে। বয়সের ব্যবধান নিয়ে সমালোচনা থাকলেও পর্দায় তাদের স্বাভাবিক উপস্থিতি সেই সব বিতর্ককে ধীরে ধীরে ছাপিয়ে যায়।

এখন যখন ছবির সিক্যুয়েল ধুরন্ধর ২ নিয়ে আলোচনা চলছে, তখন আবার নতুন করে উঠে এসেছে সেই কাস্টিংয়ের গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবড়া জানিয়েছেন, এই চরিত্রের জন্য হাজার হাজার মেয়ের অডিশন নেওয়া হয়েছিল। শুরুতে প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীদের কথাও ভেবেছিলেন তারা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলান।
পরিচালক আদিত্য ও তার টিমের লক্ষ্য ছিল একেবারে নতুন, অচেনা একটি মুখ। এমন কেউ, যাকে দেখলে দর্শকের মনে হবে—এই মেয়েটিকে আগে কোথাও দেখা যায়নি। সেই ভাবনা থেকেই অডিশনের প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়, আর প্রতিটি পারফরম্যান্স খুব মনোযোগ দিয়ে দেখা হয়।
অডিশনের একটি দৃশ্য ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সংলাপ ছিল, “আপনি কি ভারতের কোনও এজেন্ট?” এই সংলাপ বলার সময়ই সারা অর্জুনের অভিনয় আলাদা করে চোখে পড়ে। মুকেশ ছাবড়া সেই মুহূর্তেই ভিডিওটি পরিচালকের কাছে পাঠান। সেখান থেকেই আসে প্রথম প্রতিক্রিয়া—‘এই মেয়েটা কে?’
সারা অর্জুন আগে শিশুশিল্পী হিসেবে কিছু কাজ করলেও বড় পর্দায় এমন শক্তিশালী উপস্থিতি অনেকের কাছেই ছিল নতুন অভিজ্ঞতা। তার অভিনয়ে ছিল এক ধরনের স্বাভাবিকতা, যা কৃত্রিম মনে হয়নি। এমনকি শুরুতে রণবীরের পাশে তাকে কিছুটা কম প্রভাবশালী দেখাতে পারে—এই আশঙ্কাও ছিল টিমের মধ্যে।
তবে শেষ পর্যন্ত সেই সন্দেহ টিকেনি। ছবির মুক্তির পর দর্শকের প্রতিক্রিয়াই বলে দেয়, অভিনয়দক্ষতা অনেক সময় সব হিসাবকে বদলে দিতে পারে। মুকেশ ছাবড়া নিজেই বলেছেন, তারা চেয়েছিলেন দর্শক যেন মনে করে—এই মেয়েটির কোনো পরিচিত ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। আর সারা সেই জায়গাটাই নিখুঁতভাবে ধরে রাখতে পেরেছেন।
খুব শিগগিরই সারার সেই অডিশন ক্লিপ প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তখন হয়তো আরও স্পষ্ট হবে, কেন এত প্রতিযোগিতার ভিড় থেকে উঠে এসে এই চরিত্রের জন্য তাকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ
এখন ‘ধুরন্ধর ২’-এ তাদের জুটি আরও পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী বলে মনে করছেন অনেকে। প্রথম ছবির সাফল্যের পর দ্বিতীয় কিস্তিতে সেই রসায়ন কতটা এগোয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


