Close Menu
iNews Zoombangla
  • Bangladesh
  • World
  • Tech
  • Business
  • Sports
  • Entertainment
  • Bangla
Facebook X (Twitter) Instagram
iNews Zoombangla
  • Bangladesh
  • World
  • Tech
  • Business
  • Sports
  • Entertainment
  • Bangla
iNews Zoombangla
Home জাতীয় সুযোগ পেয়েই যুবলীগে ঢুকে পড়েছে দুর্বৃত্তরা
জাতীয় রাজনীতি

সুযোগ পেয়েই যুবলীগে ঢুকে পড়েছে দুর্বৃত্তরা

By Saleh MohammadOctober 2, 2019Updated:October 2, 20198 Mins Read

জুমবাংলা ডেস্ক : ২০১৩ সালে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটি ঘোষণার দুই মাসের মাথায় খুন হন সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান (মিল্কি)। পরদিন র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যান যুগ্ম সম্পাদক এস এম জাহিদ সিদ্দিকী (তারেক) ওরফে কিলার তারেক। তখন প্রচার ছিল অপরাধজগতের​ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জের ধরে রিয়াজুলকে খুন করান তারেক।

1570007689

Advertisement
এঁরা নিহত হওয়ার পর মতিঝিল-ফকিরাপুল এলাকায় চাঁদাবাজি, জুয়া, ক্যাসিনো–বাণিজ্য, টেন্ডারবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবলীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দূর হয়। দৃশ্যপটে আসেন একই কমিটির যুগ্ম সম্পাদক এ কে এম মমিনুল হক ওরফে সাঈদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। এঁদের মতো যুবলীগের আরও অনেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অবৈধ বাণিজ্যে যুক্ত হন।

যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলীয় নেতাদের একটি অংশ যে অপরাধজগৎসহ নানা অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন, তা সংগঠনের প্রায় সবাই জানতেন। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বরং প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। অনেকে আর্থিক সুবিধার ভাগীদারও হয়েছেন। মাঝেমধ্যে চাপে পড়ে কাউকে বহিষ্কার করা হলেও পরে আবার তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

আবার টাকার বিনিময়েও অনেক দুর্বৃত্তকে সংগঠনে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। সরকারি দলের পরিচয় কাজে লাগিয়ে অপকর্ম করে গড়ে তুলেছেন বিত্তবৈভব ও প্রতিপত্তি। অফিসের পিয়ন, হোটেলের বেয়ারা, বাস কাউন্টারের টিকিট বিক্রেতা ও পাড়ার সন্ত্রাসীও যুবলীগে ঢুকে সম্পদ গড়েছেন।

ক্যাসিনো, জুয়া, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম চালাতে দুর্বৃত্তদের অনেকেই ঢুকে পড়েছেন ক্ষমতাসীন দলের এই যুব সংগঠনে।

আর এসব দুর্বৃত্তের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রাজধানীর অপরাধজগতের অনেকটা ‘সম্রাটে’ পরিণত হন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট। যিনি যুবলীগের শীর্ষ ​নেতা ওমর ফারুক চৌধুরীর সবচেয়ে কাছের মানুষ হিসেবে সংগঠনে পরিচিত। ২০১৭ সালে সম্রাটের নেতৃত্বাধীন মহানগর দক্ষিণ যুবলীগকে সারা দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সাংগঠনিক ইউনিটের স্বীকৃতি দেন ওমর ফারুক চৌধুরী, আর সম্রাটকে দেন সেরা সংগঠকের উপাধি।

নিয়ন্ত্রণ নিয়ে খুনোখুনি
২০১৩ সালের ২৮ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটি ঘোষণা করা হয়। দুই মাসের মাথায় ২৯ জুলাই গুলশানে খুন হন ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান। পরদিন র‍্যাবের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন যুগ্ম সম্পাদক এস এম জাহিদ সিদ্দিকী ওরফে কিলার তারেক। রিয়াজুল খুনের মামলার অন্যতম আসামি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী সাখাওয়াত হোসেন ওরফে চঞ্চল। তিনি পালিয়ে গেছেন বিদেশে। এরপর অপরাধজগতের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় আসা যুবলীগের দুই নেতার মধ্যে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে ১৮ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ওই দিনেই রাজধানীতে ক্যাসিনো ও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়। তখন সিঙ্গাপুরে ছিলেন মমিনুল হক ওরফে সাঈদ, এখনো দেশে ফেরেননি। যুবলীগের নেতা হওয়ার আগে খালেদ ও সাঈদ দুজনেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

পদ পেয়ে বিত্তবৈভব
এনামুল হক ওরফে আরমান নব্বইয়ের দশকে ফেনী থেকে ঢাকায় আসেন। বিদেশ থেকে ‘লাগেজ পার্টির’ আনা ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রি করতেন বায়তুল মোকাররম এলাকায়। বিএনপি সরকারের আমলে জড়িত হন মতিঝিলের ক্লাবপাড়ার জুয়ার ব্যবসায়। ২০১৩ সালে পেয়ে যান যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতির পদ। এরপর সম্রাটের ছত্রচ্ছায়ায় ক্লাবপাড়ার ক্যাসিনো ও জুয়া-বাণিজ্যের অন্যতম নিয়ন্ত্রকে পরিণত হন এনামুল হক। সিনেমা প্রযোজনায়ও নাম লিখিয়েছেন তিনি। সম্রাট ও তাঁর বিশেষ মেহমানদের জন্য প্রায়ই নাচ-গানের ‘বিশেষ পার্টির’ ব্যবস্থা করতেন এনামুল হক। তাঁকে এখন পুলিশ খুঁজছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মোরসালিন আহমেদ একসময় বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রির কাজ করতেন। কিছুদিন ফ্রিডম পার্টি করেছিলেন। ২০০১ সালে চলে যান মধ্যপ্রাচ্যে। ২০০৭ সালে দেশে ফিরে মতিঝিলে মেসে থাকা শুরু করেন। ২০১৩ সালে হয়ে যান যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি। চাঁদাবাজি, টেন্ডার–বাণিজ্য করে তাঁর বিত্তবৈভব বেড়েছে, আগামীতে সংসদ নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এনামুল ও মোরসালিনের মতো আরও অন্তত এক ডজন বিতর্কিত ব্যক্তি বা দুর্বৃত্ত যুবলীগে পদ পেয়েছেন। ক্ষমতাসীন দলের যুব সংগঠনের আশ্রয়ে থেকে দ্রুত অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন। ক্যাসিনো–বাণিজ্যে যুক্ত বরিশালের সরোয়ার হোসেন ওরফে মনা জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। এখন যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি। যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের কার্যকরী কমিটির সদস্য হয়ে ভাগ্য বদলে গেছে রেস্তোরাঁর কর্মী জাকির হোসেনের। তিনি ‘ক্যাসিনো ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। মতিঝিল-আরামবাগ এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সোহরাব হোসেন ওরফে স্বপন এখন মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি। এঁরা সবাই ক্যাসিনো, জুয়া পরিচালনায় যুক্ত। একই সঙ্গে নগর ভবন, গণপূর্তসহ একাধিক সরকারি দপ্তরে টেন্ডার-বাণিজ্য ও চাঁদাবাজিতে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর ছবি কৃত্রিমভাবে যুক্ত (সুপার ইম্পোজ) করার দায়ে বহিষ্কৃত হলেও একই পরিচয়ে বহাল আছেন ক্যাসিনো-জুয়া ও টেন্ডার–বাণিজ্যের সঙ্গে।

ঢাকা মহানগর কমিটির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কমিটিতেও ঢুকেছেন দুর্বৃত্তরা। টাকার বিনিময়ে এমন অনেককে নেতা বানানোর ক্ষেত্রে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ আছে। কাজী আনিস যুবলীগ অফিসের পিয়ন থেকে নেতা হন এবং এখন অনেক বিত্তবৈভবের মালিক। তিনি যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ‘কালেক্টর’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ৩০ লাখ থেকে কোটি টাকার বিনিময়ে আনিসের মাধ্যমে পদ পেয়েছেন অনেকেই।

পুরান ঢাকায় কাপড় দোকানের কাজ করতেন মুন্সিগঞ্জের এমরান হোসেন খান। টাকার বিনিময়ে হয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। রংপুর বিভাগের দায়িত্বে থাকা এ নেতার বিরুদ্ধে ‘কমিটি–বাণিজ্য’ ও ‘কমিশন–বাণিজ্যের’ অভিযোগ আছে।

চট্টগ্রামের অপরাধজগতের আলোচিত হেলাল আকবর চৌধুরী ওরফে বাবরের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ আছে অনেক আগে থেকেই। ২০১২ সালে তিনি কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য এবং পরে পান উপ-অর্থ সম্পাদকের পদ। তিনি চট্টগ্রাম রেলওয়ের উন্নয়নকাজের দরপত্র নিয়ন্ত্রণ করেন। এখন দেশের বাইরে আছেন।

টেন্ডারবাজিসহ নানা অপকর্মে তাঁরা
শিবিরের রাজনীতি থেকে ছাত্রলীগে আসা এবং পরে সন্ত্রাসে যুক্ত থাকার দায়ে বহিষ্কৃত শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক এখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ভবনের দরপত্র নিয়ন্ত্রণ করছেন। কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে একসময় বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন তসলিম উদ্দীন ও কায়সার আহমেদ। তসলিম এখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় শ্রমবিষয়ক সম্পাদক। আর কায়সার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক। দুজনের বিরুদ্ধেই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও কমিশন-বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। উপ–প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ওরফে রতনের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ​ ভবনে টেন্ডারবাজির অভিযোগ আছে।

এসব বিষয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে কথা হয় গত ২১ সেপ্টেম্বর। তিনি বলেন, অভিযোগ যে কেউ করতে পারে। যুবলীগ একটা প্ল্যাটফর্ম। অনেকেই হয়তো এটা ব্যবহার করে। যেমন জি কে শামীমকে বলা হচ্ছে যুবলীগ, কিন্তু আসলে তিনি যুবলীগের কেউ নন। এখন যুবলীগ ব্যবহার করে যদি এত টাকার মালিক হওয়া যায়, তাহলে তো ব্যবহার করবেই।

যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের মধ্যে ভুলভ্রান্তি আছে, এটা সত্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দালিলিক প্রমাণ নিয়ে যে ব্যবস্থা নিচ্ছে, এতে সাধুবাদ জানিয়েছি। আমরাও অভিযোগ পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিই।’ বিভিন্ন সময় ২০ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও পরে কাউকে কাউকে ক্ষমা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

‘এসএমএস’ নেতা
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ১৫১ সদস্যের। এর বাইরে আরও ২০০ জন সদস্য নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি ও বিভিন্ন উপকমিটির সুযোগ আছে গঠনতন্ত্রে। তবে ১৫১ সদস্যের বাইরে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কমিটি করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ। তবে যুবলীগের একাধিক নেতা জানান, ১৫১ সদস্যের বাইরে অনেক নেতা আছেন, যাঁরা যুবলীগের পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছেন। তাঁদের মৌখিকভাবে পদ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের কর্মসূচিতে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয় মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠিয়ে। এ কারণে এঁরা ‘এসএমএস নেতা’ হিসেবে পরিচিত। এমন নেতার সংখ্যা কত, কেউ জানেন না।

এ বিষয়ে যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত বলেন, ‘রাজনীতি না করেও যুবলীগে কেউ কেউ সরাসরি পদ পেয়েছে, এটা ঠিক। এর বাইরে যারা এসএমএস নেতা হয়ে সন্তুষ্ট, তাদের বিষয়ে কিছু জানা নেই। কীভাবে এরা নেতা হলো, কে বানাল, কোত্থেকে এরা এল, জানি না।’

৪৭ বছরে সম্মেলন ছয়বার
১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠার পর যুবলীগ পার করেছে ৪৭ বছর। এ সময়ের মধ্যে জাতীয় সম্মেলন হয়েছে মাত্র ছয়বার। যদিও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পরপর সম্মেলন হওয়ার কথা। সর্বশেষ কেন্দ্রীয় কমিটি হয়েছে ৭ বছর আগে। কোনো কোনো জেলা কমিটির মেয়াদ এক যুগ পেরিয়েছে। ৭৮টি সাংগঠনিক জেলা কমিটির মধ্যে ৩৭টি হয়েছে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদে। এর বাইরে বিভিন্ন দেশে ১৬টির মতো কমিটি করেছে। এসব কমিটি নিয়েও টাকা লেনদেনের অভিযোগ আছে।

অর্থের বিনিময়ে পদ-কমিটি দেওয়ার বিষয়ে ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, অর্থের লেনদেন থাকতেই পারে। এটা অসত্য নয়। ১৭-১৮ বছর ধরে অনেক জেলায় সম্মেলন হয় না। তখন স্থানীয় সাংসদসহ দলের নেতাদের সুপারিশে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়। কার সুপারিশে কী আছে, সেটা তো বোঝা মুশকিল।

২০১২ সালের ১৪ জুলাই সম্মেলনের মাধ্যমে ওমর ফারুক চৌধুরীকে চেয়ারম্যান ও হারুনুর রশীদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। দুই মাস পর ১৪৮ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয় তিন বছরের জন্য। পরে আরও তিনজনকে পদ দিয়ে ১৫১ পূর্ণ করা হয়।

সর্বশেষ গত ২০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পিকে। তিনি পল্লবী যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মিরপুর এলাকায় ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ আছে।

২০১২ সালের পর দুর্বৃত্তায়ন বৃদ্ধি
সংগঠনের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত শতকের আশি ও নব্বইয়ের দশকে কে এম হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গজেব ওরফে আওরঙ্গ, লিয়াকত হোসেন এবং মুশফিকুর রহমান (হান্নান) ওরফে বড় হান্নান, হুমায়ুন কবির মিলন ওরফে মুরগি মিলনের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসীরাও যুবলীগে ছিলেন। তবে কখনো বড় পদ পাননি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও যুবলীগের হয়ে শক্তি প্রদর্শন করেছেন তাঁরা। তবে টাকার বিনিময়ে পদ দিয়ে দুর্বৃত্তদের দলে আশ্রয় দেওয়ার এই প্রবণতা ২০১২ সালের পর বেড়েছে।

১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন মোস্তফা মহসিন মন্টু। যুবলীগে সন্ত্রাসীদের পদায়ন বিষয়ে তিনি (বর্তমানে গণফোরাম নেতা) বলেন, তখন বিরোধী দলে থাকায় হান্নান-লিয়াকতেরা দলের জন্য ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু এখন সরকারি দলে কীভাবে সন্ত্রাসীরা যুক্ত হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা উচিত।

যুবলীগের একাধিক নেতা বলেন, দল ক্ষমতায় থাকায় যুবলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের একজন নেতাও নিজ নিজ এলাকায় ডিশ, ইন্টারনেট ও ময়লা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পান। রয়েছে নানাভাবে চাঁদাবাজির সুযোগ। তাই টাকার বিনিময়ে অনেক সন্ত্রাসীও যুবলীগের পদ নিতে চান। টানা তিন মেয়াদে দল ক্ষমতায় থাকায় এমন পদ বাগিয়ে নেওয়ার সংখ্যাও বেড়েছে।

যুবলীগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ বলেন, ‘ব্যর্থতাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আমরা সতর্ক ছিলাম না, সেই সুযোগ অনেকে নিয়েছে।’ তিনি বলেন, কিছু লোকের বিচ্যুতি ঘটেছে, সংগঠনের নয়। চলমান অভিযান একটি ধাক্কা। এমন বড় ধাক্কা থেকে যুবলীগ বড় উপকৃত হতে পারে।

সূত্র : প্রথম আলো

fXinmwalink@tg
Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow iNews Zoombangla On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.

Follow iNews Zoombangla On Google
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
Saleh Mohammad
  • Facebook
  • X (Twitter)
Related Posts
Bus

হাফ ভাড়ায় চড়া শিক্ষার্থীরা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হন, প্রতিদানে শ্রমিকদের কী দিল?

June 22, 2026
Salam

সালাম মুর্শেদীকে গুলশানের সেই বাড়ি ছাড়তে হবে, সরকারী সম্পত্তি ঘোষণা

June 22, 2026
ঝড়ের শঙ্কা

সন্ধ্যার মধ্যে ১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

June 22, 2026

Latest News

Bus

হাফ ভাড়ায় চড়া শিক্ষার্থীরা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হন, প্রতিদানে শ্রমিকদের কী দিল?

Salam

সালাম মুর্শেদীকে গুলশানের সেই বাড়ি ছাড়তে হবে, সরকারী সম্পত্তি ঘোষণা

ঝড়ের শঙ্কা

সন্ধ্যার মধ্যে ১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

MP

মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক এমপিপুত্র

Army

৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ

muktadir

ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করতে চায় সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

Sarwar

বিদায়ের আগে চা-শ্রমিককে কারামুক্ত করলেন ডিসি সারওয়ার

PM

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার অনুরোধ তারেক রহমানের

PM

মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

Lake

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর সাথে লেক ভ্রমণে ডা. জুবাইদা

 

Inews

iNews Zoombangla is your trusted destination for fast, accurate, and relevant English news. We cover Bangladesh, world affairs, technology, business, sports, entertainment, lifestyle, science, and research for English-language readers. iNews Zoombangla is the English news edition of ZooBangla.

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla Pvt Ltd. - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

tgXwa