সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাসের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনায় জেলা রেজিস্ট্রারের তদন্ত প্রতিবেদন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিস্ট্রার (আইজিআর) কার্যালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
আইজিআর ড. খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের পৃথক সুপারিশসহ সোমবার এটি মন্ত্রণালয়ে পাঠনো হয়। সুপারিশে সুব্রত কুমার দাসকে সাসপেন্ড (সাময়িক বরখাস্ত) ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছেন আইজিআর নিজেও। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে ও আইজিআরের নির্দেশে শাহজাদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের তিন দুর্নীতিবাজ কর্মচারীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। জেলা রেজিস্ট্রার আবুল কালাম মো. মঞ্জুরুল ইসলাম সাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের তিনজনকে সাসপেন্ড করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে জেলা রেজিস্ট্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সাসপেন্ড হওয়া কর্মচারীরা হলেন- সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাসের ঘুষ বাণিজ্যের সহযোগী ওই অফিসের মহরার আব্দুস সালাম, নকলনবিশ সুমন আহম্মেদ ও দৈনিক মজুরি চুক্তিতে অফিস সহায়ক আনিছুর রহমান।
এদিন বিকেলে আইজিআর খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাসের পার পাওয়ার সুযোগ নেই। শিগগিরই তিনি শাস্তি পাবেন।
জমিদাতা ও দলিল গ্রহীতাদের সমস্যায় ফেলে অবাধে ঘুষ বাণিজ্য, দালাল-চক্রের দৌরাত্ম বৃদ্ধিতে সহায়তা, জমির প্রকৃত মূল্য কম দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকি. কতিপয় অসাধু দলিল লেখকের সঙ্গে ঘুষের টাকা ভাগবাটোয়ারা, ঊর্ধ্বতনদের অনুমতি ছাড়া দলিল সম্পাদন বন্ধ রেখে অফিসে সংবাদ সম্মেলন ও গাছ বিক্রির অভিযোগে সুব্রত কুমার দাসসহ ওই চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।