
জুমবাংলা ডেস্ক: স্ত্রীকে ফিরে পেতে রাস্তায় রাস্তায় বিলবোর্ড টানিয়েছেন নরসিংদীর ইজিবাইক চালক মজিবর রহমান। জেলা শহরের নাগরিয়াকান্দি এলাকায় বৃদ্ধা মাকে নিয়ে বসবাস করেন তিনি।
জেলার রায়পুরা উপজলোর মরজাল কামারটকে এলাকার নজরুল ইসলামের বড় মেয়ে সুমী বেগমের সঙ্গে দেড় বছরের প্রেমের সম্পর্ক হয় মজিবুর রহমানের। সেই সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়েতে গড়ায়। নরসিংদীর একটি কাজি অফিসের মাধ্যমে বিয়ে হয় তাদের।
মজিবুর তার বাড়িতে স্ত্রী ও একমাত্র বৃদ্ধা মাকে নিয়ে সুখেই দিন পার করছিলেন। এভাবেই কেটে যায় আরও দেড় বছর। সারাদিন ইজিবাইক চালিয়ে যা আয় করেন তাই দিয়ে তিনজনের সংসার ভালোই চলছিল। প্রায় দেড়মাস আগে মজিবর রোজগারের সন্ধানে ইজিবাইক নিয়ে বের হয়ে বাড়ি ফিরে দেখেন প্রিয়তমা সুমী ঘরে নেই। সুমীর বিষয়ে মার কাছ থেকে জানতে পারেন সুমী তার বাবার বাড়ি চলে গেছেনে।
প্রেম করে বিয়ে, প্রিয়তমা ঘরে নেই, বিষয়টি কোনোমতেই মেনে নিতে পারছিলেন না মজিবুর। পরদিন ছুটে যান রায়পুরার মরজালে সুমীর বাবার বাড়ি। আশপাশের লোকজনের মাধ্যমে খবর নিয়ে দেখেন সুমী তার বাবার বাড়িতেই রয়েছেন। তার দু-একদিন পর লোকজন নিয়ে সুমীকে আনতে গেলে সুমী আসতে চাইলেও তার মা লিলি বেগম তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ান। এ সময় খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন সুমীর মা ফুসলিয়ে সুমীকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন। পরিবারে বড় হওয়ায় সুমীকে জেলার শিবপুর উপজেলার বিসিক আমতলার একটি গার্মেন্টসে ভর্তি করে দেন মা লিলি বেগম।
মজিবর প্রিয়তমাকে ফিরে পেতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন এবং বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে অবশেষে তার সন্ধান করতে পারলওে বাড়িতে আনতে পারছেন না। সুমী তার মায়ের কথা ছাড়া যেতে পারবেন না বলে জানালে মজিবর একপ্রকার পাগল প্রায় হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় মজিবর তার প্রিয়তমাকে ফিরে পেতে নরসিংদী শহর ও সুমীর সম্ভাব্য যাতায়াত পথসহ বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু বিলবোর্ড টানিয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


