বিনোদন ডেস্ক: জি টিভির সারেগামাপা-র মঞ্চ কাঁপাচ্ছে বাংলার ছেলে স্নিগ্ধজিৎ ভৌমিক। গানের জগতে নতুন প্রতিভার সন্ধানে জিটিভি সারেগামাপা আয়োজন করে প্রতিবছর সংগীতের মহাযুদ্ধ। তবে জাতীয় পর্যায়ের এই সঙ্গীত মঞ্চে এই বছরটি কার্যত বাঙালির বিজয়। এবছর গানের রিয়েলিটি শো শুরু হয়েছে নতুন ও পুরনো প্রতিযোগিদের নিয়ে। আর সেখানেই বাংলা সারেগামাপার পর মঞ্চ মাতাতে হাজির হয়েছেন স্নিগ্ধজিৎ ভৌমিকও। ২০১৯ সালে জি বাংলার সারেগামাপার দ্বিতীয় স্থানাধিকারী স্নিগ্ধজিৎ এখন একেরপর এক গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিচ্ছেন সকলকে।
প্রত্যেক সপ্তাহে রিয়েলিটি শোতে নিত্যনতুন চমক দিচ্ছে বুনিয়াদপুর এর ভূমিপুত্র। তবে ফের একবার জাতীয় মঞ্চে নজর কাড়েন তিনি তবে কেবল গান দিয়ে নয় নিজের ব্যবহার দিয়ে গর্বিত করলেন সকলকে।
সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে সারেগামাপার মঞ্চে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত ফিল্ম মেকার সুভাষ ঘাই। সেখানেই তার মন জয় করে ছিনিয়ে নিলেন সকলের ভালোবাসা। এই এপিসোডে সঞ্জয় দত্তের খলনায়ক ছবির গান পরিবেশন করেছেন স্নিগ্ধজিৎ। এদিন ফের একবার গানে গানে সকলের মন জিতে নিল এই ট্যালেন্টেড গায়ক। এর আগে বাপ্পি লাহিড়ি থেকে শাহিদ কাপুর সকলেই প্রশংসা করেছেন স্নিগ্ধজিতের, তবে নতুন বছরে সেরা উপহারটা ‘পরদেশ’ পরিচালকের কাছ থেকেই পেলেন স্নিগ্ধজিৎ। তার গানে সুর এতটাই মুগ্ধ করলো পরিচালককে যে তিনি মঞ্চে উপহার হিসেবে ব্ল্যাঙ্ক চেক দিলেন গায়ককে।
স্নিগ্ধজিৎ এর গানের গভীরতায় এদিন স্মৃতির সরণি বেয়ে আশির দশকে পৌঁছে গিয়েছিলেন পরিচালক। আর স্নিগ্ধের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উপহার হিসেবে তাঁর হাতে ফাঁকা চেক সাইন করে তুলে দিলেন তিনি। অনেক জোড়াজুড়ির পর এই চেক গ্রহন করে স্নিগ্ধজিৎ।
এদিন স্মৃতির সরনি বেয়ে আশির দশকে পৌঁছে গেলেন ‘খলনায়ক’ পরিচালক। তিনি জানান, ‘তুমি দুর্দান্ত গেয়েছো। আমি যতই প্রশংসা করি না কেন সেটা কম হবে, তোমার গান শুনে আমি অতীতের স্মৃতিতে ভেসে গেলাম। এই খলনায়ক ছবির টাইটেল ট্রাকটা আদতে কিন্তু দুঃখের গান, কত বড় ক্রিমিন্যাল সে, এই গানে ওই কথাই বলছে সে। অথচ এই গানে নায়ক (খলনায়ক) নাচছে, আশেপাশের সকলে নাচছে’। এরপরই স্নিগ্ধের প্রশংসা করে তাঁর হাতে একটা ফাঁকা চেক সাইন করে তুলে দেন সুভাষ ঘাই। তিনি বলেন, ‘আমি কোনও টাকার অঙ্ক লিখব না, সেটা তুমি ভরে নাও’। সে লজ্জায় লাল হয়ে জানায়- ‘না, স্যার আমার এতো বড় স্টেটাস নয় যে আমি আপনার থেকে কোনও টাকা নেব’। তবে অনেক জোড়াজুড়ির পর সেই চেক গ্রহণ করে স্নিগ্ধজিৎ। তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হল ওই ব্ল্যাঙ্ক চেকে মাত্র ১ টাকার অঙ্ক ভরে সে। যা দেখে আরও বেশি অভিভূত সুভাষ ঘাই। তিনি বলেন, ‘এটাই একজন প্রকৃত শিল্পীর পরিচয়’। স্নিগ্ধজিৎ-কে ভালোবাসা ও আর্শীবাদে ভরিয়ে দেন তিনি।
কথা প্রসঙ্গে এও বেরিয়ে আসে, পরদেশ ছবির শ্যুটিংয়ের সময় চেক নয়, সুভাষ ঘাইয়ের থেকে চেয়ে নগদ টাকা নিয়েছিল আদিত্য চোপড়া। এদিনও জুরিদের কাছ থেকে ১০০% নম্বর পেয়েছে স্নিগ্ধজিৎ।শুরু থেকেই নিজের গানের প্রতিভা দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে এসেছেন স্নিগ্ধজিৎ। একদম অডিশন রাউন্ডেই বিশাল শেখরের থেকে ছিনিয়ে নিয়ছিলেন তাঁর সুরে প্লেব্যাক করার অফার। তাঁর গান শুনে প্রশংসা করেছেন একাধিক বলি তারকারাও।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।