
এদিকে গৃহবধূর বাবার দাবি জাহাঙ্গীর তার মেয়ের সংসার ভেঙে দিয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার পরিবারও এখনও চেয়ারম্যান মেম্বারদের মীমাংসা মানছে না। বিষয়টি মীমাংসায় স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু ছেলেপক্ষ সিদ্ধান্ত মানছেই না।
স্থানীয়রা জানায়, আকন্দপাড়ার প্রতিবেশী ছেলে এবং মেয়ে একই ক্লাসে পড়তো। সেই থেকেই তাদের মেলামেশা এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হলেও, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (মোবাইলে) সম্পর্ক থেকেই যায়।
গেলো আট দিন আগে তাদের সম্পর্কের কথা স্বামী জানতে পারে। স্বামী কার সাথে ওই মেয়েটি সংসার করবে এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট জানায়, স্বামী হিসেবে সে প্রেমিক জাহাঙ্গীরকেই মনেপ্রাণে স্বীকার করে। পড়ে তার স্বামী বলেন, তাহলে তুমি জাহাঙ্গীরের সঙ্গেই চলে যাও। স্বামীর চাপে পড়ে ঐ মেয়ে তার প্রেমিক ছেলেটিকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। স্বামীর চাপে মেয়েটি কোল না পেয়ে ৬ দিন আগে বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) ছেলের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেয়। পরে মেয়ের পরিবার খবর পেয়ে এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানায়। সালিশি বৈঠকে বিষয়টি প্রেমিক যুগলের বিয়ে দেয়ার শর্তে মীমাংসা করা হলেও, পরদিন চতুরতার সঙ্গে ছেলের পরিবার মীমাংসা না মেনে ছেলেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয়। তারপর থেকেই মেয়েটি ছেলের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে আছে।
এদিকে জাহাঙ্গীরের পরিবারের দাবি ছেলের বয়স কম ও মেয়ের বয়স বেশি, যে কারণে বিয়েতে রাজি না হয়ে ছেলেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
সখীপুর থানার (ওসি) মো. আমির হোসেন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ ব্যাপারে কোনও পক্ষই লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


