
এরপরে খানিকটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে একরকম কোণঠাসা ভারত। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতীয় দলীয় সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪১.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান।
এদিকে প্রথম উইকেটে ১৭ বল থেকে ২ রান করেন সাকসেনা। প্রথম উইকেটের দেখা দ্রুত মিললেও এরপর আর কোন উইকেটের দেখা পায়নি টাইগার যুবারা। দ্বিতীয় উইকেটে এসে ইয়াশভি জাইসওয়াল ও তিলক ভার্মা ৯৪ রানের জুটি করে ভোগান্তিতে টাইগার যুবারদের ভোগান্তিতে ফেলে দিয়েছিলো ভারতীয় শিবিররা।
অবশেষে ১০৩ রানের মাথায় এসে তিন নম্বর অবস্থানে ব্যাট করতে নামা তিলক ভার্মাকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান পেসার তানজিম হাসান সাকিব। ব্যক্তিগত ৬৫ বল থেকে ৩৮ রান করে শরিফুল ইসলামের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ভার্মা।
এইখানেই থামেননি টাইগার বোলাররা। ইনিংসের ৩২তম ওভারে এসে স্পিনার রাকিবুল হাসান দলকে তিন নম্বর উইকেটটি উপহার দেন। ভারতীয় দলের অধিনায়ক প্রিয়াম গর্গকে ৭ রানের মাথায় প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখান তিনি।
এদিকে বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে ছিলেন ভারতীয় দলের ওপেনার ইয়াশভি জাইসওয়াল। ব্যক্তিগত ১২১ বল থেকে ৮৮ রান করলে শেষ পর্যন্ত তাকেও সাঁজঘরে ফিরান টাইগার বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। এইখানেই থেমে ছিলেন না শরিফুল, এরপরের বলে সিদ্ধেশ ভীরকে (০) এলবিডাব্লিউ’র ফাঁদে ফেলে দলকে আরও একটি উইকেট এনে দেন তিনি।
বাংলাদেশ একাদশ: পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, তাওহিদ হৃদয়, শাহাদত হোসেন, শামিম হোসেন, আকবর আলী (অধিনায়ক), রাকিবুল হাসান, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব এবং অভিষেক দাস।
ভারতীয় একাদশ: ইয়াশভি জাইসওয়াল, ডিভ্যানাশ সাকসেনা, তিলক ভার্মা, ধ্রুব জুরেল, প্রিয়াম গর্গ (অধিনায়ক), সিদ্ধেশ ভীর, আথারভা অ্যানকোলেকার, রবি বৈশ্ন্য, শুশান্ত মিশরা, কার্তিক ত্যাগি এবং আকাশ সিং।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



