
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইএফটি পদ্ধতি চালু করার ফলে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, গৃহঋণ, পেনশন প্রদানের পুরো প্রক্রিয়াই হবে সহজ, স্বচ্ছ ও দ্রুত। এ ছাড়া দূর হবে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোরও সব ধরনের আর্থিক অনিয়ম। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইনক্রিমেন্ট, অর্জিত ছুটি, ভ্রমণ তথ্য, সার্ভিস রেকর্ড অর্থাৎ চাকরিতে যোগদানের পর থেকে সব ধরনের তথ্য ইএফটি ডাটাবেজে থাকবে। ফলে মুহূর্তেই মিলবে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাওনাসহ অবসরে যাওয়ার যাবতীয় তথ্য। এমনকি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী অবসরে যাওয়ার এক দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন পেনশন।
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রাশিদুল ইসলাম বলেন, এই প্রতিষ্ঠানে তিন ধরনের কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন। পুরো বিষয়টি অটোমেশনে আনা ছিল অত্যন্ত জটিল কাজ। আমরা নিবিড় তদারকির মাধ্যমে সেই জটিল কাজটি স্বল্প সময়ে সমাধান করে এখানে ৩২১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরিকালীন সব সুবিধা প্রদানে ইএফটি পদ্ধতি চালু করতে সক্ষম হয়েছি। এই অর্জনে আমি অত্যন্ত খুশি। এ কাজে সার্বিক সহযোগিতার জন্য তিনি অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের যুগ্ম সচিব ও সদস্য (অর্থ ও প্রশাসন) ড. মো. মইনুল হক আনছারীসহ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইএফটি পদ্ধতির উদ্বোধনকালে বাটনে চাপ দিলেই সারাদেশে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরিরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর গত অক্টোবর মাসের বেতন-ভাতা তাদের স্ব স্ব অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়, যা তারা তাদের মোবাইল ফোনে এসএমএস আকারে দেখতে পান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



