
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মঙ্গলগ্রহে মানুষের বসতি স্থাপনে চেষ্টার ত্রুটি করছে না ইলন মাস্কের স্পেসএক্স কোম্পানি। মাস্ক চাইছেন, সৌরমণ্ডলের বিভিন্ন গ্রহে যাওয়ার জন্য সুপার হেভি রকেটে করে স্টারশিপকে পাঠাতে। তিনি চাঁদে ও মঙ্গলে মানুষও পাঠাতে চান। মঙ্গলে কলোনি তৈরি করতে চান। চাঁদে একটি লুনার স্টেশনও তৈরি করবেন তিনি।
গেল ৫ মে স্পেসএক্সের পরীক্ষামূলক মহাকাশ যান এসএন-১৫ মঙ্গলে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং বিস্ফোরণ ছাড়াই অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছিলও যানটি।
তবে ভাগ্যের কী খেলা! তিনি যে মঙ্গলে আধিপত্য বিস্তার করবেন সে খবর ৬৯ বছর আগের একটি পুরনো বইয়ে দেখা গেছে।
সি-নেটের খবর অনুযায়ী, ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত ভন ব্রাউনসের ‘মার্স প্রজেক্ট’ বইয়ে বলা হয়েছে, ইলন নামের এক ব্যক্তি মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে সক্ষম হবে।
সে খবর টুইটারেও ছড়িয়ে পড়ে। টবি লি নামে এক টুইটার ব্যবহারকারীর টুইটে প্রত্যুত্তরও দিয়েছেন স্পেসএক্সের নির্বাহী। মাস্ক জানতে চান, এটি কী আসলেই সত্যি?
তারপর তাকে জানানো হয়, হ্যাঁ, এটা সত্যি। তবে এই নামের ব্যক্তি তিনি নন। ভন ব্রাউনের বইয়ে ‘ইলন’ নামটি পদ কিংবা মেধা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে।
স্পেস-এক্স এবং টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের মোট সম্পদের অর্থমূল্য ১৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ব্লুমবার্গ সূচক অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এখন ইলন মাস্ক। গত তিন বছর ধরে শীর্ষ ধনী আমাজনের প্রধান জেফ বেজোসকে পেছনে ফেলেন তিনি।
গত বছর প্রায় আট গুণ বেড়েছে টেসলার শেয়ারের দাম। টেসলায় ২০ শতাংশ শেয়ার আছে মাস্কের। গত মাসে নাসা স্পেসএক্সের সঙ্গে ৩০০ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


