
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মহানগর সার্বজননীন পূজা কমিটির পক্ষ থেকে দপ্তর সম্পাদক পরিমল কুমার ভৌমিক স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আধ্যাত্মিক গুরু এবং যোগ ও বেদান্তের প্রবক্তা স্বামী শিবানন্দ মহারাজ ভারতের পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত হয়েছেন। সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মহাপুরুষের দর্শন লাভের জন্য মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বয়সের এই পুরুষ ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারণসীর (কাশী) কবীরনগরে একটি আশ্রমে থাকেন। স্বামী শিবানন্দ যোগব্যায়ামে অবদানের জন্য ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় আসেন। সর্বশেষ ঢাকায় এসেছিলেন ২০১৯ সালে। তার জন্ম ১৮৯৬ সালে বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার বাহুবলের হরিপুর গ্রামে। দীর্ঘ জীবন তিনি উৎসর্গ করেছেন যোগাভ্যাসচর্চায়। মাত্র ৬ বছর বয়সে বাবা মাকে হারান তিনি। দিনের পর দিন আহার বলতে ছিল শুধু ভাতের ফ্যান। তারপর এক সময় আশ্রয় পান ১৯০৩ সালে নবদ্বীপে ওঙ্কারানন্দ গোস্বামীর আশ্রমে। সেখান থেকেই শুরু হয় তার জীবনের নতুন অধ্যায়।
সাধারণ জীবনযাপনে বিশ্বাসী এই যোগীর আহার বলতে তেলহীন সামান্য খাবার। পিছিয়ে থাকা অনগ্রসরদের সাহায্য করা, তাদের পাশে দাঁড়ানোই তার জীবনের ব্রত। একাধিকবার তিনি বলেছেন, তার সুস্থ দীর্ঘ জীবনের রহস্য হরো যোগাভ্যাস, কঠোর নিয়মানুবর্তিতা এবং ব্রহ্মচর্য। তারুণ্যেই ব্রহ্মচর্য পালনের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তিনি। তার কথায়, এই বিশ্বই আমার ঘর। বিশ্ববাসী আমার বাবা মা। তাদের ভালোবাসা এবং সেবা করাই আমার জীবনের পরম ধর্ম। গত অর্ধশতক ধরে পুরীতে তিনি সেবা করছেন কুষ্ঠরোগীদের। এজন্য একাধিক সম্মানে তিনি সম্মানিতও হয়েছেন। পদ্মশ্রী পাওয়ার আগে তিনি ২০১৯ সালে পেয়েছিলেন ‘যোগরত্ন সম্মান’।
তিনি জন্মসূত্রে ভিখারির সন্তান ও আকুমার ব্রহ্মচারী। মাত্র ৬ মাস বয়সে একইদিনে বাবা ও মাকে হারান। এরপর থেকে মানুষের মাধ্যমে তিনি বড় হন। দীর্ঘ ১২৭ বছরের জীবনে তিনি কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ কিংবা দান নেননি।
সৌদি প্রবাসীদের সঠিক সময়ে পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



